শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
২৫ বৈশাখ, ১৪২৮

সংবাদ শিরোনাম:
যাদুকাটা নদীর তীর কেটে বালু নিয়ে যাচ্ছে লতিফ বাহিনী, অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষজন গলাচিপায় চোর সন্দেহে ৮জনকে পিটিয়ে আহত, আটক ৪ নোয়াখালীতে অস্ত্রসহ যুবক আটক কলাপাড়ায় সেহরি খেতে উঠে ছেলের ঝুলন্ত লাশ পেলেন মা কাঠালিয়ায় ট্রলি-মটরসাইকেল সংঘর্ষ: নিহত ১ আট নমুনায় ৬ জনের মধ্যেই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট গৌরনদীতে পাকা ধানে আগুন গৌরীপুরে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু আল-আকসায় মুসুল্লীদের ওপর হামলা ইসরাইলী বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ পাওনা ৫০০ টাকা চাইতে গিয়ে বন্ধুর হাতে খুন ভালোবাসা কী ভোলায় অবৈধ স্পিডবোটের বাণিজ্য, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল যাত্রীদের বরিশালে পোশাক বাজারে উপচে পরা ভিড়, নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই তাহিরপুরে গ্রামপুলিশকে হত্যা, দুই ঘাতক গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জে সানি সরকার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে মানবন্ধন গৌরনদীতে সরকারি ওষুধ পাচার দুই মাসেও রিপোর্ট জমা দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি মঠবাড়িয়ায় ১ হাজার পরিবারে ঈদ উপহার প্রদান ছুটে আসছে চীনা রকেটের খণ্ডাংশ: ধরা পড়ল ইতালীয় বিজ্ঞানীর ক্যামেরায় দেশে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন শনাক্ত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধানের হাটে ঢুকে পড়ল ট্রাক, নিহত-২
Dr. Ali Hasan
Dr. Jahidul Islam
নৈশপ্রহরী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক

নৈশপ্রহরী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
নৈশপ্রহরীর কাজ করেই স্বপ্ন পূরণ করেছেন ভারতের কাসরাগোডের পানাথুরের বাসিন্দা রঞ্জিত রামাচন্দ্রন। হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। ২৮ বছর বয়সী রঞ্জিত সম্প্রতি নিজের জীবন সংগ্রামের কাহিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানান।

এরপর সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। কলেজে পড়ার পাশাপাশি রাতে কাজ করতেন স্থানীয় টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসে। সেখানেই নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন রঞ্জিত। খবর এনডিটিভির

৯ এপ্রিল ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে রঞ্জিত বলেছেন, আমি দিনে কলেজে যেতাম, আর রাতে টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসে কাজ করতাম। কাসরাগোডের পানাথুরের বিএসএনএল কোম্পানির টেলিফোন এক্সচেঞ্জে নৈশপ্রহরীর কাজ করতেন তিনি। ওই জেলার পায়াস টেনথ কলেজে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতকে পড়তেন। সেই পড়াশোনা শেষ করে মাদ্রাজে গিয়েছিলেন রঞ্জিত। মাদ্রাজে উচ্চশিক্ষা নিতে গিয়েই গ্যাঁড়াকলে পড়েছিলেন। কারণ তখন পর্যন্ত মালায়ালম ছাড়া অন্য কোনো ভাষা জানতেন না তিনি।

সেইসঙ্গে ছিল জীবিকার তাড়না। একপর্যায়ে পিএইচডির পড়াশোনাও ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। তবে তাকে উৎসাহ দিয়েছিলেন সুভাষ নামে এক শিক্ষক। বর্তমানে বেঙ্গালুরুর ক্রাইস্ট ইউনিভার্সিটিতে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। ফেসবুকে অনেক ব্যবহারকারীই রঞ্জিতকে নিজেদের অনুপ্রেরণার উৎস বলে মন্তব্য করেছেন।

রঞ্জিত বলেন, পোস্টটি যে এভাবে ভাইরাল হবে, তা আমি কখনও ভাবিনি। আমি নিজের জীবনের কাহিনি জানিয়েছিলাম।

দ্রুত নিউজ পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করে সি ফাস্ট করে রাখুন
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

royal city hospital



© All rights reserved © 2019 rupalibarta.com
Developed By Next Barisal