শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
২০ অগ্রহায়ণ, ১৪২৭

সংবাদ শিরোনাম:
উইঘুর মুসলিমদের জোর করে শুকর খাওয়াতো চীন! বামনায় যুবদলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুজ্জামানের মতবিনিময় সভা মৌলবাদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী বন্ধের দিন সড়কে ঝরল ২১ প্রাণ মতলব উত্তর উপজেলা আ. লীগের আহবায়ক কমিটি গঠন ভাস্কর্যবিরোধী মিছিলে পুলিশের লাঠিচার্জ পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে বেধম মারধর, গ্রেফতার ১ হিজলায় চরের মাটি কাটায় ১৪ জনকে কারাদণ্ড বরিশাল বিভাগীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের কমী সভা অনুষ্ঠিত ‘সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গন রোধে অতি দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া হবে’ বরিশালে একযোগে ৯৬৭ মসজিদে জনসচেতনতামূলক আহবান মুলাদীতে বিএনপি নেতার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত নলছিটিতে মামলা চলমান জমিতে বসতঘর উত্তোলণ, থানায় অভিযোগ দায়ের ১ ডলারে চাঁদের পাথর কিনবে নাসা আজানরত অবস্থায় মুয়াজ্জিনের মৃত্যু নোয়াখালীর ভাসানচরে প্রথম ধাপে পৌঁছেছে ১৬৪২ জন রোহিঙ্গা যে গাছগুলোতে রোগ সারানোর ক্ষমতা রয়েছে ফাঁসিপাড়ায় (খাজুরা) আশ্রয়ন প্রকল্পের মানুষ নানা সমস্যায় জর্জরিত বরিশালকে উড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে খুলনা বামনায় গভীর রাতে খলিল চৌধুরীর ঘরে দূর্ধর্ষ চুরি
Dr. Ali Hasan
Dr. Jahidul Islam
ভ্রাম্যমাণ সেলুনে কমেছে মানুষের যাতায়াত, কমেছে আয়

ভ্রাম্যমাণ সেলুনে কমেছে মানুষের যাতায়াত, কমেছে আয়

ফিচার ডেস্ক।।
এক সময় দেশের গ্রাম-গঞ্জ, হাট-বাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় চোখে পড়তো ভ্রাম্যমাণ সেলুন। কখনো দেখা যেত বড় কোনো বট গাছের নিচে অথবা বাজার ঘেঁষা দেয়ালের পাশে দু’টি মোড়া বসিয়ে আর একটি স্ট্যান্ডে আয়না লাগিয়ে বসে আছেন নরসুন্দররা।

খরচ কম হওয়ায় চুল-দাড়ি কামাতে সেখানে ভিড় করতেন সাধারণ মানুষ। রাজধানী ঢাকাও এর ব্যতিক্রম ছিল না। তবে দিন দিন আধুনিকতার ছোঁয়ায় বদলে গেছে শহুরে জীবন, নির্মিত হয়েছে এয়ার কন্ডিশন সমৃদ্ধ সেলুন। তবে সংখ্যায় কম হলেও শহরে এখনো ভ্রাম্যমাণ সেলুন দেখা যার রাস্তা বা রেললাইনের পাশে।

নরসুন্দর ইব্রাহিম জানান, ৩০ বছর যাবত আছেন এ পেশায়। এ সুদীর্ঘ সময় তার সঙ্গী একটি মাত্র জলচৌকি আর প্রয়োজনীয় কিছু যন্ত্রাংশ। এ ভ্রাম্যমাণ সেলুনের আয় দিয়েই চলে তার ৬ সদস্যের পরিবার। সেই সঙ্গে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনাও চালাচ্ছেন।

আরেক নরসুন্দর হেলাল জানান, ভ্রাম্যমাণ সেলুনে কাজের অভিজ্ঞতা ১০ বছরের। তার পরিবারেও রয়েছে ৬ সদস্য। অল্প আয় দিয়ে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করছেন তিনি। কখনো সুযোগ পেলে একটি দোকানে সেলুন পরিচালনার ইচ্ছে প্রকাশ করেন তিনি।

আধুনিকতা ও প্রযুক্তির কল্যাণে ভ্রাম্যমাণ সেলুনগুলো প্রায় বিলুপ্তির পথে। অন্তত ৯০ দশকের লোকজনের স্মৃতিতে উজ্জ্বল এসব সেলুন।

ইব্রাহিম ও হেলালের মতে, ভ্রাম্যমাণ সেলুনে চুল কাটাতে ৩০ টাকা আর দাড়ি কামাতে ২০ টাকা দিতে হয়। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে ভ্রাম্যমাণ সেলুনে মানুষের যাতায়াত আগের চেয়ে আরও কমে গেছে। ফলে আয়ও কমেছে তাদের।

এখনও রাজধানীর গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ নতুন বাজার, সেগুনবাগিচা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় কিছু ভ্রাম্যমাণ সেলুন রয়েছে। আভিজাত্যের ভিড়ে এই সেলুন গুলো এখন খুঁজে পাওয়া মুশকিলও বটে।

দ্রুত নিউজ পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করে সি ফাস্ট করে রাখুন
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

royal city hospital



© All rights reserved © 2019 rupalibarta.com
Developed By Next Barisal