বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
২ বৈশাখ, ১৪২৮

সংবাদ শিরোনাম:
মুলাদীর দুলাল হাওলাদারের চুরি হওয়া ষাড় গরু কাজীরহাটে জবাই নরসিংদীতে ঢিলেঢালা লকডাউন দ্বিতীয় লকডাউন কঠোর অবস্থানে দশমিনা প্রশাসান হতাশা নিয়ে বাড়ি ফিরলেন মেনাজ মুন্সি মিসরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত-২০ স্কুল চলাকালীন শ্রেণিকক্ষে পুড়ে মরল ২০ শিশু আগৈলঝাড়ায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে মোবাইল কোর্টে অভিযান ৬ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা বউ সাজলেন দীঘি,তবে… বরিশালে ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা মাদরাসাছাত্রীকে আবারও ধর্ষণ! বরিশাল নগরী জনশূন্য নিখোঁজের ১৬ বছর পর লাশ হয়ে মায়ের কোলে ফিরলেন ইমন প্রেমিকাকে নিয়ে পালানোর অপরাধে যুবককে মূত্রপানে বাধ্য করোনা নেগেটিভ হওয়ার যতদিন পর টিকা নেওয়া যাবে নোয়াখালী বেগমগঞ্জে চেকপোষ্টে এলজি-কার্তুজসহ ২ যুবক আটক কোহলিকে সরিয়ে ওয়ানডের সেরা এখন পাকিস্তান অধিনায়ক ভারতে বাতিল মাধ্যমিক পরীক্ষা, স্থগিত উচ্চ মাধ্যমিক সাবেক আইনমন্ত্রী মতিন খসরু আর নেই দেশবাসীর প্রতি ইবাদত-বন্দেগির আহ্বান রাষ্ট্রপতির নৈশপ্রহরী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ভান্ডারিয়া হাসপাতালে পৌঁছাল পাঁচ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর
Dr. Ali Hasan
Dr. Jahidul Islam
মতলব উত্তরে শুকিয়ে যাচ্ছে আমের মুকুল

মতলব উত্তরে শুকিয়ে যাচ্ছে আমের মুকুল

মতলব উত্তর প্রতিনিধি, চাঁদপুর।।
মতলব উত্তর’সহ চাঁদপুর জেলায় অনাবৃষ্টির প্রভাব পড়েছে আম বাগানগুলোতে। বর্ষা মৌসুমের পর থেকে সেভাবে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবছর অনেক আম গাছেই মুকুল আসেনি। যে গাছগুলোতে মুকুল এসেছে তাও খরার কারণে শুকিয়ে যাচ্ছে। চাষিরা বলছেন, দু-এক দিনের মধ্যে বৃষ্টি না হলে সেচের আওতার বাইরে যে বাগান রয়েছে সেগুলোতে মুকুল শুকিয়ে ও আমের গুটি শুকিয়ে ঝরে পড়ছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বিভিন্ন জাতের আমবাগান রয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় গত মৌসুমে এই এলাকায় আমের উৎপাদন হয়েছিল আশানুরূপ। তবে এ বছর খরার কারণে বেশির ভাগ বাগানগুলোতে আমের মুকুল আসেনি। যার কারণে এবার প্রাথমিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পুরণ না হওযার শঙ্কায় রয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, বিগত বছরের তুলনায় এ বছর বেশির ভাগ আমগাছে মুকুল আসেনি। তবে লখনা, আম্রপালি, হিমসাগর, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, দুধসর ও কালুয়া জাতের কিছু গাছে মুকুল এসেছে। এর মধ্যে সঠিক পরিচর্যা করায় অনেক চাষিদের বাগানে আমের গুটি দেখা দিয়েছে।

ফতেপুর এলাকার আমচাষি আজমল হোসেন বলেন, চলতি আমের মৌসুমে এখনো পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়নি। এই কারণে অনেক আমবাগানে মুকুল দেখা দেয়নি। আমাদের সেচের আওতায় যে গাছগুলো আছে সেগুলোতে বেশি মুকুল এসেছে। আর সেচের আওতার বাইরের ফজলি, আশ্বিনা ও আঁটি জাতের কিছু বাগানে স্বল্প মুকুল দেখা দিলেও তা খরার কারণে শুকিয়ে ঝরে পড়ছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন বলেন, বর্ষা মৌসুমের পর এই এলাকায় আর বৃষ্টিপাত হয়নি। তবে আগামী দু-চার দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগের চেয়ে চাষিরা এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শে বাগানগুলোতে নিয়মিত সেচ ও সঠিক সময় পরিচর্যা করছেন। আশা করা হচ্ছে অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করলে আমের ফলন ভালো হবে।

দ্রুত নিউজ পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করে সি ফাস্ট করে রাখুন
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

royal city hospital



© All rights reserved © 2019 rupalibarta.com
Developed By Next Barisal