রবিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
১৫ ফাল্গুন, ১৪২৭

সংবাদ শিরোনাম:
ভারতে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ, দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা সেনাবিরোধী বক্তব্যের পর মিয়ানমারের জাতিসংঘ দূত বরখাস্ত মানুষের ডিজিটাল সুরক্ষার জন্যই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন: তথ্যমন্ত্রী ৩০ মার্চ খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বরিশালে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা মতলব উত্তরে স্বামীর সাথে অভিমান করে স্ত্রীর আত্মহত্যা গৌরীপুরে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সম্মেলন অনুষ্ঠিত যাক, খেলাটা বোঝে এখানে এমন একজনকে পাওয়া গেল : রোহিত মিয়ানমারে বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে আরও এক নারী নিহত মসজিদে আজান বন্ধ করে দিল ইসরায়েল! উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ছাতক-দোয়ারাবাজার সড়কে পাথরবোঝাই ট্রাকের চাপে ভেঙে গেল বেইলি ব্রিজ প্রেম করায় কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করল মা-ভাই মাদক ব্যবসায়ীকেই বিয়ে করবেন এমা বরই বড়ই গুণের কীর্তনখোলা নদীতে ট্রলার ডুবি কঙ্গনার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিতে মুম্বাইয়ে হৃতিক নেপাল থেকে রশিদ খানের বিকল্প খুঁজে নিলো লাহোর রাজধানীতে শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু, যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন মা‌য়ের পেছ‌ন পেছন সড়ক পার হ‌তেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট ফা‌হিম
Dr. Ali Hasan
Dr. Jahidul Islam
মুহাম্মাদ (সা.)-এর শাফাআত পাওয়ার ৩ উপায়

মুহাম্মাদ (সা.)-এর শাফাআত পাওয়ার ৩ উপায়

ধর্ম ও জীবন।।
প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত পাওয়া মুমিন মুসলমানের জন্য অনন্য সৌভাগ্য। কেয়ামতের ময়দানে তিনি তাঁর উম্মতের জন্য শাফাআত করবেন। আল্লাহ তাআলা তাকে শাফাআত করার বিশেষ ক্ষমতা ও অনুমতি দান করবে। কিন্তু প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত পাওয়ার উপায় কী?

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত পাওয়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে, তার প্রতি বেশি বেশি দরূদ পড়া। শাফাআত পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ধরণা ধরা। তবেই মহান আল্লাহ তাআলা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত দিয়ে উম্মতে মুহাম্মাদিকে ধন্য করবেন।

শাফাআত পেতে দোয়া: নরাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত কামনাকারীর জন্য বেশি বেশি এ দোয়া করা-

اَللَّهُمَّ ارْزُقْنَا شَفَاعَةَ نَبِيِّكَ

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মার যুক্বনা শাফাআতা নাবিয়্যিকা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমাদেরকে তোমার নবির সুপারিশ দান কর।’

শাফাআত পেতে তাওহিদের জিকির: যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত পেয়ে ধন্য হতে চায়, তার উচিত বেশি বেশি তাওহিদের জিকির করা। হাদিসে এসেছে- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘কেয়ামতের দিন আমার সুপারিশে ধন্য ব্যক্তি সবচেয়ে সুখী মানুষ। আর সে হলো- যে অন্তর বা নফস থেকে ইখলাস তথা একনিষ্ঠতার সঙ্গে বলে-

لَا اِلَهَ اِلَّا الله

উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’

অর্থ: ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদাতের উপযুক্ত কোনো সত্য উপাস্য নেই।’ (বুখারি)

আজানের পর দরূদ ও দোয়া পড়া: যে ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত পেয়ে ধন্য হতে চায়, তার উচিত বেশি বেশি দরূদ পড়া। বিশেষ করে আজানের পর দোয়া ও দরূদ পড়া। হাদিসে এসেছে-

– হজরত জাবির ইবনে আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আজান শুনে বলে-

اَللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ – وَالصَّلَاةِ الْقَائِمَة – اتِ مُحَمَّدَانِ الْوَاسِلَةَ وَ الْفَضِيْلَةَ – وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَّحْمُوْدَانِ الَّذِىْ وَعَدْتَه

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বা হাজিহিদ দাওয়াতিত তাম্মাহ, ওয়াস-সালাতিল কায়িমাহ, আতি মুহাম্মাদানিল ওয়াসিলাতা ওয়াল ফাদিলাহ, ওয়াবআছহু মাকামাম মাহমুদানিল্লাজি ওয়া আদ্তাহ’ তার জন্য কেয়ামতের দিন আমার শাফাআত ওয়াজিব হবে।’ (তিরমিজি, বুখারি, ইবনে মাজাহ)

– দরূদ পাঠকারীর জন্য শাফাআত অবধারিত। হজরত রুওয়াইফি ইবনে ছাবিত আল-আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি এ দরুদ পাঠ করবে তার জন্য আমার সুপারিশ অবধারিত হয়ে যাবে।’ (আলমুজামুল কাবির, তবারানি, মাজমাউয যাওয়াইদ)

শুধু তা-ই নয়, দরূদ পাঠকারী কেয়ামতের দিন প্রিয় নবির সবচেয়ে কাছাকাছি হবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কেয়ামতের দিন ওই ব্যক্তি আমার সবচেয়ে কাছাকাছি হবে, যে আমার উপর সবচেয়ে বেশি দরূদ পড়ে।’ (তিরমজি)

এ আমলটিও মুসলিম উম্মাহর জন্য সহজ। শুধু তাই নয়, কোনো ব্যক্তি যদি আজানের পর দোয়ার আগে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরূদ পাঠ করে; তার জন্যও প্রিয় নবির সুপারিশ ওয়াজিব হয়ে যায়। তাই বেশি বেশি ছোট্ট ও সহজ এ দরূদ বেশি বেশি পড়া-

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّد وَ عَلَى أل مُحَمَّد

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদ।’

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত কামনা করা। শাফাআত পেতে আল্লাহর কাছে দোয়া করা, বেশি বেশি তাওহিদের কালেমা তথা আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা দেয়া এবং এ কালেমার জিকির করা। আর আজানের পর দরূদ ও দোয়া পড়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শাফাআত পাওয়ার তাওফিক দান করুন। হাদিসে বর্ণিত আমল ও দোয়াগুলো যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

দ্রুত নিউজ পেতে নিচের লাইক বাটনে ক্লিক করে সি ফাস্ট করে রাখুন
নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

royal city hospital



© All rights reserved © 2019 rupalibarta.com
Developed By Next Barisal