আগৈলঝাড়ায় অগ্নিকান্ডে ৫০ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি

অনলাইন ডেস্ক।।
আগৈলঝাড়ায় অগ্নিকান্ডে ১০টি দোকান সস্পূর্ন ভস্মিভুত হয়েছে। এতে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কোদালধোয়া বাজারে সোমবার (০৩ জানুয়ারি) দুপুরে প্রফুল্ল ওঝার চায়ের দোকানের গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

পরে ওই বাজারের ভবরঞ্জন রায়ের ঔষধের দোকান, ডা. মন্মথ হালদারের ঔষধের দোকান, প্রফুল্ল ওঝার চায়ের দোকান, লিটন দাসের ঔষধের দোকান, হরশিদ ঘরামির টেইলার্স এর দোকান, সজল বাড়ৈর টেইলার্স এর দোকান, সঞ্জয় পান্ডের ডেকোরেটর এর দোকান, সজল বালার ইলেকট্রনিক্সের দোকান, গবিন্দ শীলের সেলুনের দোকান, পথিক হালদারের গার্মেন্টস ও কসমেটিক্স এর দোকান, সমীর ঘটকের স্বর্নের দোকান সস্পূর্ন ভস্মিভুত হয়ে যায়। এছাড়াও পথিক হালদারের ২টি দোকান, লিটন দাসের দোকানের আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে।

অগ্নিকান্ডে ওই বাজারের প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলেন জানান ব্যবসায়ীরা। খেবর পেয়ে গৗরনদী থেকে ফায়ার সার্ভিস এর লোকজন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রন আনেন।

চায়ের দোকান মালিক প্রফুল্ল ওঝা বলেন, চায়ের দোকন থেকে যা আয় হয় তা দিয়েই আমার সংসার চলতো। দোকানে আগুন লাগাতে আমার সব কিছু শেষ হয়ে গেলো। আমি পথে বসে গেলাম। কি করে আমার সংসার চলবে জানি না।

আরেক ব্যবসায়ী দেবাশীষ পান্ডে বলেন, আগুন লাগার সাথে সাথে আমার মুদি দোকানের সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বিভিন্ন সংস্থা থেকে ঋন নিয়ে দোকানের বিভিন্ন মালামাল উঠিয়ে ছিলাম। বেঁচা কেনাও খুব ভালো ছিল। দোকানটি পুড়ে যাওয়ায় আমার সব কিছু শেষ হয়ে গেলো। আমাদের ব্যবসায়ীদের যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তাতে সরকারের সহযোগিতা ছাড়া এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না।

অগ্নিকান্ডের খবর শুনে তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হাশেম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত, উপজেলা প্রকল্পবাস্তায়ন কর্মকর্তা মোশাররফ হোসাইন, ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাসসহ প্রমুখ। তারা ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন।