আমতলীতে অবৈধ দখল চলছেই, জড়তি পৌর মেয়র-ভাইস চেয়ারম্যান

গোলাম কিবরিয়া, বরগুনা।।
বরগুনার আমতলী পৌর এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) একরে একরে জায়গা প্রতিনিয়ত অবৈধ দখলে চলে যাচ্ছে। অধিকাংশ জায়গা এরই মধ্যে দখলবাজদের দখলে চলে গেছে। আর এই দখলের সাথে জড়তি আছনে আমতলী পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লগরে নতো মতিউর রহমান ও তার ভাই উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মজিবর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আমতলী পৌরসভার আবদুল্লাহ মার্কেট সম্পূর্ণ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজেস্ব জায়গার উপরে। আবদুল্লাহ মার্কেট এর পাশে সদ্য নির্মিত দোকানটি করা হচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে। আর এ দোকান নির্মাণ করছেন আমতলী পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান। এদিকে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান মজিবর রহমান আমতলী চৌরাস্তার কলাপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আবু-হানিফ (সৌদি প্রবাসী) কে দিয়ে ক্লিনিক ও মার্কেট উঠাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিজেস্ব জায়গা।

সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে দখলস্বত্ব হস্তান্তর করছে চড়ামূল্যে। প্রতি শতক জায়গা বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ৩ লাখ টাকায়। একরে একরে জমি দখলে নিচ্ছে প্রভাবশালী সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যু।

এবিষয়ে আমতলী উপজেলা চেয়ারম্যান ফোরকান আহমেদ বলেন, আমতলী পৌরসভার অধিকাংশ জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের। প্রতিনিয়ত দেখছি অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা যদি জোরদার হন তাহলে এ অবৈধ দখলদাররি থাকবে না।

প্রভাবশালী সংঘবদ্ধ ভূমিদস্যুর প্রসঙ্গে আমতলী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোয়াজ্জেম খান বলেন, আমতলীতে দিন দিন অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এদের সাথে জড়তি প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিরা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জোরদার থাকলে অবৈধ দখলদাররি কমে যাবে।

এ বিষয়ে দখলদারী অভযিুক্ত আমতলী পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান বলেন, আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে কোন অবৈধ স্থাপনা করছি না। আমার নিজের জমিতে দোকান নির্মাণ করছি। আমার পেছনে একটি কুচক্রী মহল কাজ করে। তারা আমার সম্মান হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। এছাড়া আর কিছুই না।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী কায়সার আহমেদ বলেন, আমতলীর যত অবৈধ স্থাপনা আছে। আমরা একটি লিষ্ট করে উচ্ছেদ আবেদনের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব। আবেদন মঞ্জুর হলে আমরা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করব।