ইউএনও’র সহযোগিতায় মা-বাবার কোলে ফিরল মিঠু

কাউখালী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি।।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং মোড়েলগঞ্জ নিবার্হী অফিসারের সহযোগিতায় অবশেষে মিঠু তার বাবা-মার কোলে ফিরে যেতে সক্ষম হয়েছে।

মিঠুর বাবা নিতান্ত গরীব। তারা পাচ ভাই বোন। পড়াশোনা একেবারে করা হয়নি মিঠুর। তার বক্তব্য ছোট বোনের জন্ম হওয়ার পরে তাকে দেখাশোনা করতে করতে তার স্কুলে যাওয়ার বয়স পার হয়ে যায়, কারণ তার মা গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন। বয়স বেশি হওয়ায় কোন স্কুল তাকে ভর্তি নেয়নি। করোনাকালীন অভাব অনটনে মা তাকে চায়ের দোকানে কাজে দেয়। দোকানে পানি আনতে হত দূর থেকে। প্রায়ই লাইনে দাঁড়িয়ে পানি আনতে দেরি হয়ে যাওয়ায় বকাবকি শুনতে হত। তাইতো অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানো মিঠুর।

দাদার বাড়িতে নামতে চাইলেও বুঝতে না পারায় মঙ্গলবার কাউখালীতে নেমে যায়। অপরিচিত শিশুটিকে ইউপি সদস্য রুবেল রিয়াজী উপজেলা নির্বাহি অফিসার খালেদা খাতুন দেখার নিকট হস্তান্তর করেন।

এরপর ইউএনও তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসটি অনেক ভাইরাল হয়। তারই ধারাবাহিকতায় মিঠুর বাবা-মা সন্ধান পান। মোড়েলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহি অফিসার এর সহায়তায় মিঠুকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তার বাবা মার সাথে কথা বলা হয় এবং তাকে তার বাবা-মার কাছে ফেরত দেওয়া হয়। মিঠুর বাবা-মা ইউনো মহোদয় প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদা খাতুন কাউখালীতে আসার পর থেকে একের পর এক নিঃস্বার্থভাবে মহৎ কাজ করে যাচ্ছেন।