ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকে নারীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগ

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি, পটুয়াখালী।।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ইউপি সদস্য মোঃ সরোয়ার হোসেন বিরুদ্ধে সালিশ বৈঠকে সুমনা (৪০) নামের এক গৃহবধূকে মেরে আহত ও শ্লীলতাহানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভূক্তোভোগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছে।

শনিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ঘটকের আন্দুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘঠে। অভিযুক্ত মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। সুমনা ওই গ্রামের মোঃ নয়ন মাঝির স্ত্রী।

ভূক্তোভোগীর সাথে কথা বলে জানা যায়, কিছু দিন আগে একই বাড়ির সোহরাব মাঝির স্ত্রীর সাথে তার কথা কাটাকাটি হয়। এই ঘটনায় সরোয়ার মেম্বার উভয় পক্ষ নিয়ে তাদের বাড়িতে সালিশিতে বসে। সালিশ চলাকালীন সময়ে তাদের মাঝে একটু তর্কাতর্কি হয়। এতে মেম্বার ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং রাগ করে সালিশ থেকে উঠে চলে যাওয়ার সময় আমি তাকে মীমাংসা করার অনুরোধ করলে তিনি আমার হাত ধরে কয়েকটি ঘুরি ও ধাক্কায় দেয়। এতে আমি পাকা মেঝেতে পরে গেলে সে এসে আমার গলা চেপে ধরে, এতে আমি হাতে, গলায় এবং মাথায় প্রচন্ড আঘাত পাই।

ভূক্তোভোগীর স্বামী নয়ন মাঝি বলেন, থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে ঘটনা জানানো হয়েছে। থানা পুলিশ চিকিৎসার পরে আইনী পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ।

সালিশ বৈঠকে উপস্থিত থাকা মাখন গাইন, সুমন ও সালাম মাঝি বলেন, সালিতে একটু রাগারাগি হয়েছে। এসময় মেম্বার সুমনার হাত ধরে ধাক্কা দিয়েছে ।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মোঃ সরোয়ার হোসেন বলেন, সালিশিতে ডেকে আমাকে অপমান করেছে। তাই আমি ওখান থেকে চলে এসেছি। এ সময় ধাক্কা লেগেছে কিনা বলতে পারি না।

এ বিষয়ে মির্জাগঞ্জ থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, ঘটনা শুনছি কিন্তু এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।