ইলিশের প্রজনন মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা পেছানোর দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

কুয়াকাটা প্রতিনিধি।।
সমুদ্র বক্ষে মাছ ধরা জেলেরাসহ আড়তদাররা ইলিশের প্রজনন মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা পেছানোর দাবী জানিয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে এগারটায় পটুয়াখালীর মহিপুর বন্দর আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মহিপুর মৎস্য বন্দর আড়তদার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি দিদার উদ্দিন আহমেদ মাসুম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, যেসব জেলেরা সমুদ্রে প্রতিনিয়ত ইলিশ মাছ ধরতে যায়, তাঁরা দেখেছেন মা ইলিশের পেটে এখনো ডিম আসেনি। তা ছাড়া উপকূল কিংবা নদী মোহনায় এখনো দেখা মিলছে না প্রজননক্ষম ইলিশের। ফলে ইলিশ প্রজননের যে মৌসুম মৎস্য অধিদপ্তর নির্ধারণ করেছে তা সঠিক বলে আমাদের মনে হচ্ছে না। বর্তমানে যে নিষেধাজ্ঞাকালীন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে তা বহাল থাকলে সরকারের পরিকল্পনা ব্যর্থতায় পরিনত হবে। এমন বাস্তবতায় ইলিশের প্রজনন মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা পেছানো অত্যন্ত যৌক্তিকভাবে দরকার।

এ সময় সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রাজু অহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস রেজা, মহিপুর মৎস্য বন্দরের বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী গাজী মোহাম্মদ মজনু ইদ্রিসসহ প্রায় শতাধিক জেলে, মাঝি ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

দিদার উদ্দিন আহমেদ মাসুম আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে গভীর সমুদ্রের মাছ ইলিশের জীবন ধারায় পরিবর্তন এসেছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গবেষণা করা দরকার। এ কারণে দেরীতে মা ইলিশ প্রজননের উপযুক্ততা অর্জন করেছে। এমন বাস্তবতার আলোকে ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে ৩০ অক্টোবর থেকে ইলিশের প্রজনন মৌসুম নির্ধারণ করা সঠিক হবে। অন্যথায় সরকারের ইলিশ সম্পদ পরিচর্যা করার মহৎ উদ্দেশ্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে।

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সরকার ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশের প্রজনন মৌসুমের জন্য ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।