কলাপাড়ায় বিএনপির ১৫৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেফতার ৬

কলাপাড়া প্রতিনিধি (পটুয়াখালী)।।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নবগঠিত মহিপুর থানা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে হামলা অভিযোগে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১৫৫ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৮ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে মহিপুর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি আল আল আমিন বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।

মামলায় ১৫৫ নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ১নং আসামী -শের আলম, ২নং আসামী আলী হোসেন খন্দকারসহ মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি আ.জলিল হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.শাহজাহান পারভেজ, কুয়াকাটা পৌরসভা সভাপতি আবদুল আজিজ মুসুল্লী, কুয়াকাটা পৌরসভা সাধারন সম্পাদক মতিউর রহমান মতিসহ মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ১০০/১৫০ জনকে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দিনে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন- শের আলম, আলী হোসেন খন্দকার, জহিরুল ইসলাম বাচ্চু, হোসেন আলী. আবু কালাম প্যাদা।
বিএনপির অভিযোগ, ঢাকার গণসমাবেশে যাতে নেতা-কর্মীরা অংশ নিতে না পারেন, সে জন্য মিথ্যা মামলা দিয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত বুধবার রাত ১১.৩০ টার দিকে এ ঘটনায় মহিপুর থানা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে দুর্বত্তরা ও এসময় চেয়ার টেবিল ও বেশ কিছু আসবারপত্র ভাংচুর করা হয়। মহিপুর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি আল আমিন বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন। আইনে দুই জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১০০/১৫০অজ্ঞত জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড.শাহজাহান পারভেজ বলেন, মহিপুর থানা বিএনপির নেতা কর্মীকে মিথ্যা ও হয়রানি মামলা দিয়েছে ১০০/১৫০ অজ্ঞাত। এর মধ্যে ছয় জনকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মালেক আকন জানান, বুধবার রাত সাড়ে দশটার দিকে আমরা অফিস তালাবদ্ধ রেখে চলে যাই। দুর্বৃত্তরা তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এ তান্ডব লীলা চালায়। এসময় বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সহ বেশ কিছু বেনার ফেস্টুন ছিড়ে ফেলে তারা। তবে এঘটনা জামাত-বিএনপি করতে পারে বলে তিনি ধারনা করেছেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত হাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। মহিপুর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি আল আমিন বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন। এ মামলা জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এতো মধ্যে গতকাল ও আজকে মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।