কলাপাড়ায় লোনা পানিতে কৃষকের রবিশস্য সর্বনাশ

এইচ.এম.হুমায়ুন কবির, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)।।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে মিশ্রিপাড়া, নয়া মিশ্রিপাড়া, ডঙ্কুপাড়া ও আজিমপুর গ্রামের লোনা পানির দুই দফা প্লাবনে চার গ্রামের শতাধিক কৃষকের রবি শস্যের সর্বনাশ হয়ে গেছে। মরে যাচ্ছে রবি ফসল। কৃষকের দাবি তাদের কয়েক কোটি টাকার ফসলহানি ঘটেছে। লক্ষীরবাজার দুই ভেন্টের নির্মাণাধীন স্লইসের গেট না করার আগেই রিভার সাইডের বাঁধ কেটে দেয়ায় লোনা পানির প্লাবনে বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের কৃষকের এমন সর্বনাশ হয়ে গেছে। কৃষকের তরমুজ, মরিচ, মিষ্টি কুমড়ো, আলুসহ ডাল জাতীয় সব শস্য নষ্ট হয়ে গেছে। ফলন্ত গাছগুলো মরে যাওয়ায় কৃষকরা এখন দিশেহারা হয়ে গেছে। লোনা পানিতে ফসলের খেত রিচার্জ হয়ে যাওয়ায় এখন ফসলের গাছগুলো মরে নেতিয়ে গেছে। চারদিন আগের পূর্ণিমার জোতে লতাচাপলী ইউনিয়নের লক্ষীর হাঁট স্লুইসের বাঁধ কেটে দেয়ায় কৃষকের এমন ক্ষতি হয়ে গেছে। সেখানকার মিশ্রিপাড়া, নয়া মিশ্রিপাড়া, ডঙ্কুপাড়া ও আজিমপুর গ্রামের কৃষকের এমন সর্বনাশ হয়ে গেছে।

কৃষকের দাবি পরিকল্পিতভাবে বাঁধটি কেটে দেয়া হয়েছে। যদিও একদিন আগে বাঁধটি ফের মেরামত করা হয়েছে। কিন্তু সর্বনাশ যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪৮ নম্বর পোল্ডারের প্রায় ৩৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের পুনরাকৃতিকরণের কাজ চলমান রয়েছে। উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প একাজ করছে। আগেই পোল্ডারের স্লুইসগুলো মেরামত ও পুনঃনির্মাণ করছে। বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরে যেন লোনা পানি প্রবেশ করতে না পারে এ জন্যস্লুইস সংযুক্ত খালের বেড়িবাঁধের রিভার সাইডে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়েছিল। কিন্তু চারদিন আগের পূর্ণিমার জোতে ওই বাঁধ কেটে দিলে বেড়িবাঁধের অভ্যন্তরের খালে পানিতে একাকার হয়ে যায়। লোনা পানি খালের দুই পাড় উপচে চার গ্রামের কৃষকের রবিশস্যের খেতও লোনা পানিতে প্লাবিত হয়। কৃষকের ফলন্ত রবিশস্যের গাছগুলো মরে যাচ্ছে। কৃষকরা দাবি করেছেন তাদের কোটি কোটি টাকার ফসলহানি ঘটল। কৃষক মোঃ জালাল, সালাউদ্দিন, মোঃ আলাউদ্দিন জানালেন, তাদের সর্বনাশ যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। লোনা পানি কমলেও খেতের লোনা পানি খেতেই মাটির নিচে রিচার্জ হয়েছে। ফলে এখন ফলন্ত মরিচ, বাদাম, মিষ্টি কুমড়া, ডাল জাতীয় ফসল গাছসহ মরে যাচ্ছে। যেহেতু স্লুইসের গেট করা হয়নি।