খেলার নিশ্চয়তা দিলে শাস্তি প্রত্যাহার মোহামেডান-মেরিনার্সের

স্পোর্টস ডেস্ক।।
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড ও মেরিনার ইয়ার্স ক্লাবের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে শাস্তি আরোপ করেছিল বাংলাদেশ হকি ফেডারেশেন সেই শাস্তি শর্ত সাপেক্ষে প্রত্যাহার করা হবে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের নির্বাহী কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সভা শেষে বাংলাদেশ হকি ফেডারেশনের সভাপতি বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাশিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বলেছেন, ‘মোহামেডান ও মেরিনার্সের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে শাস্তি আরোপ করা হয়েছিল তা শর্ত সাপেক্ষে প্রত্যাহার করা হয়েছে।’

২০১৮ সালের ৭ জুন মোহামেডান ও মেরিনার্সের মধ্যকার প্রিমিয়ার হকি লিগের সুপার ফাইভের ম্যাচে গন্ডগোল করেছিলেন দুই ক্লাবের কর্মকর্তারা। ৪৪ মিনিট পর খেলা আর হয়নি। তখন ম্যাচ ছিল ১-১ গোলে সমতা। ওই ঘটনার ৫ মাস পর ফেডারেশন দন্ড দিয়েছিল দুই ক্লাবের চার কর্মকর্তাকে।

মোহামেডানের ম্যানেজার আরিফুল হক প্রিন্স, মেরিনার্সের সাধারণ সম্পাদক হাসান উল্লাহ খান রানাকে ৫ বছর বহিস্কারের পাশাপাশি জরিমানা করা হয়েছিল ১ লাখ টাকা করে।

মোহামেডানের সহকারি ম্যানেজার আসাদুজ্জামান চন্দন ও মেরিনার্সের কর্মকর্তা নজরুল ইসলামকে ৩ বছরের জন্য হকির কর্মকান্ড থেকে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছিল ফেডারেশন। প্রতিবাদে মোহামেডান তাদের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি গ্রহণ করেনি।

সেই সাসপেনশনের জের ধরে বেঁকে বসেছিল মোহামেডান ও মেরিনার্স। কর্মকর্তাদের ওপর থেকে শাস্তি প্রত্যাহার না করা হলে লিগ কমিটিতে প্রতিনিধি প্রেরণ ও খেলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিল ক্লাব দুটি।

অবশেষে লিগ শুরুর স্বার্থে ফেডারেশন ওই শস্তি প্রত্যাহার করছে। তবে শাস্তি প্রত্যাহার হবে দুই ক্লাব দলবদলে অংশ নেবে- এমন নিশ্চয়তা দিলে।

ফেডারেশনের সভাপতি বলেছেন, ‘আমরা হকিকে সামনে এগিয়ে নিতে চাই। আমাদের প্রিমিয়ার লিগ মাঠে নামাতে হবে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে লিগ শুরুর টার্গেট করে আমরা এগুচ্ছি।’

ঘরোয়া হকির সবচেয়ে আকর্ষণীয় প্রিমিয়ার লিগ হয়নি ২০১৮ সালের পর। এক মৌসুম হারিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ হকি ফেডারেশন চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে প্রিমিয়ার লিগ শুরুর উদ্যোগ নিয়েও এগুতে পারেনি ফেডারেশন।