গলাচিপায় প্রকাশ্যে ঘর ভাংচুর ও জমি দখলের অভিযোগ

গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রকাশ্যে দিবালোকে ৫বছর যাবত ভোগদখল করা পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৭ শতাংশ জমিতে নির্মিত বসত ঘর ভাংচুর করে জোড়করে দখল করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীর দাবী স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও পুলিশ প্রশাসনকে ম্যানেজ করে এঘটনা ঘটানো হয়েছে।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্র জানা যায়, উপজেলার পূর্বপাড় ডাকুয়া গ্রামের ইউসুফ হোসেন ২০১৪ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছ থেকে বেড়ি বাধেঁর ১৭ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে নিজে ঘর উত্তোলন করে বসবাস করে আসছিল। ঘর উত্তোলন করে বসবাস করার পর থেকেই প্রতিবেশী খলিল মাল ওই ভূমি নিজে নেয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল করতে থাকে। এ নিয়ে বিভিন্ন সময় ফৌজদারী ও সহকারী জজ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ওই সকল মামলা উপেক্ষা করে খলিল মাল ও তার লোকজন বুধবার সকালে ইউসুফ হোসেনের বসত ঘর ভাংচুর করে রাতারাতি ওই জায়গায় ঘর উত্তোলন করে।

ইউসুফ হোসেনের ভাই জাফর মালের স্ত্রী নার্গিস বেগম (৩২) জানায়, দীর্ঘ দিন যাবত আমরা ওই জায়গায় ঘর উত্তোলন করে বসবাস করে আসছি। বুধবার সকালে উলানিয়া ফাড়িঁর পুলিশের সামনে আমাকে মারধর করে ঘর থেকে বের করে ভাংচুর করে খলিল মাল ও জহির সর্দারের নেতৃত্বে ৫০/৬০ জন ঘর ও ঘরের মালামাল লুট করে নিয়ে গিয়ে ও স্থানে ঘর উত্তোলন করে।

এব্যাপারে খলিল মাল জানান, ওই জায়গা দীর্ঘ দিন যাবত আমার দখলে। ইউসুফ আমার জায়গা দখলের চেষ্টা করে আসছিল। আমি আমার দখলে থাকা পানি উন্নয়নের বোর্ডের জমিতে ঘর উত্তোলন করেছি।

উলানিয়া বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির উপপুলিশ পরিদর্শক মো. মনির হোসেন জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।