চরফ্যাশনে লক্ষাধিক টাকা না দেয়ার ফাঁদ! পাওনা টাকা চাওয়ায় থানায় অভিযোগ

চরফ্যাশন প্রতিনিধি।।
চরফ্যাশন উপজেলার ওচমানগঞ্জ ইউনিয়নে ফরাজীর হাট (তালুক পাটওয়ারীর) হাটে কীটনাশক ব্যবসায়ী পাওনা টাকা চাওয়াতেই থানায় অভিযোগ করেন দেনাদার শাহে আলম ড্রাইভার। ব্যবসায়ীর লক্ষাধিক টাকা না দেয়ার ফাঁদ।

ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে গেছে, ওচমানগঞ্জ ফরাজীর বাজার কীটনাশক ব্যবসায়ী মো. নান্নু খান একই এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে শাহে আলম ড্রাইভার কাছে ১লাখ ৫হাজার ৫০টাকা সার, ঔষাধ ও কীটনাশক বাকীতে বিক্রি করেন। তার কাছে টাকা চাইতে গেলে কীটনাশক ব্যবসায়ীকে হুমকী দমকী দেয়া হয়। এবং টাকা খুঁজলে ব্যবসা কাকে বলে শিক্ষা দিবে এবং লাইসেন্স বাতিলের হুমকী প্রদান করেন।

ওই সময় কীটনাশক ব্যবসায়ী নান্নু খাঁন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবগত করে রাখেন। নান্নু খাঁনকে হয়রানী করার এবং চরফ্যাশন থানায় শাহে আলম বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার আলু খেতে কীটনাশক ব্যবহারে মেয়াদ উত্তীর্ণ ছিল এই জন্যে তার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। ১৯ ফ্রেরুয়ারী শনিবার চরফ্যাশন থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে তদন্ত করেন। স্থানীরা শাহে আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন।

কীটনাশক ব্যবসায়ী নান্নু খাঁন বলেন, আমি পাওনা টাকা চাইতে গেলে টাকা না দেয়ার জন্যে পরিকল্পনা করে কল্পকাহিনী তৈরী করেন। আমাকে হয়নারী করার জন্যে। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার দাবী করছি।

চরফ্যাশন থানার এস আই মাইনুল ইসলাম বলেন, আমি ঘটনা স্থলে গিয়েছি। আলুখেত দেখেছি। আলু খেতে গাছ ছিল তবে কিছু গাছ লালচে হয়ে গেছে। বিষয়টি কৃষি বিভাগের ওসি সাব আমাকে বলাতে আমি দেখে আসছি।

উপজেলা কৃষি অফিসের উৎদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ছানাউল্লাহ আজম বলেন, কৃষির বিষয় গুলো কৃষি অফিসের ব্যপার। এটি ফৌজদারী কোন কার্যবিধির বিষয় নয়। আমাদের কাছে অভিযোগ করলে আমরা দেখবো।