ছাতকের দোলারবাজার ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হোসাইন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোয়নয়ন প্রত্যাশি মোহাম্মেদ হোসাইন আহমেদ। তিনি ইউনিয়নের বুরাইয়া চিছরাওলী পীরবাড়ী গ্রামের গ্রামের মরহুম আলহাজ্ব মো. মানিক মিয়া (আখল মিয়া)’র ছেলে।

জানা যায়, বুরাইয়া চিছরাওলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্র থাকাকালীন সময়ে সহপাঠিদের আহবান জানিয়ে পত্রাদি বিতরণের মধ্য দিয়ে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শে গড়া সংগঠন “বাংলাদেশ ছাত্রলীগ” এ যোগদান করেন।

১৯৯০ সালে উপজেলা নির্বাচনে কিশোর বয়সেই তিনি মিছিল মিটিংয়ে সংক্রিয় ভাবে অংশগ্রহন করেনন। ১৯৯১ সালে নির্বাচনী অফিস পরিচারনা করা মাইক্রোফোন বালক অরাজনৈতিক সিংগেরকাছ পাবলিক বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ও ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক তথা এলাকাজুড়ে ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ে মোহাম্মেদ হোসাইন আহমেদর।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় এলাকাজুড়ে যখন লাঙল প্রতীকের প্রার্থীর জয়জয়কার এবং প্রার্থী পারিবারিক আত্মীয় থাকার পরও আওয়ামীলীগ ও নৌকার প্রার্থীর পক্ষে একনিষ্ঠ মাঠকর্মী হয়ে কাজ করেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে স্থানীয়ভাবে সংগঠিত করতে স্রোতের বিপরীত বিভিন্ন অপশক্তিকে মোকাবেলা করে অজপাড়া গায়ে নৌকা, আওয়ামীলীগ ও জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগানে চষে বেড়িয়েছেন এলাকা।
মদনমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে লেখাপড়া কালীন সময়ে ও পরবর্তীতে নবগঠিত সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে কাজ করেন। একজন সুবক্তা হিসাবে পরিচিতি রয়েছে তার। আস্ শাবাব্ সমাজকল্যাণ সংস্থাসহ বিভিন্ন সমাজ কল্যান সংস্থা, সবুজ মিনার ইসলামী সাহিত্য পরিষদ, সাহিত্য সংগঠন ও পাঠাগার, ভোরের মিছিল নামক সাহিত্য সাময়িকী’র অত্যন্ত সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন মোহাম্মেদ হোসাইন আহমেদ। ২০০০ সালে সামজিক সংগঠক হিসাবেও এরাকায় খ্যাতি অর্জন করেন।

১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাসে মরণ ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তার পিতা আলহাজ্ব মো. মানিক মিয়া (আখল মিয়া) ইন্তেকাল করেন। ২০০০ সাল ইন্ডারমিডিয়েট পরীক্ষা দেওয়ার পর পরিবারের বড় সন্তান হওয়াতে জীবন জীবিকার তাগিদে যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে ভাবে বসবাসের জন্য সিদ্ধান্ত নেন । ২০০১ সালে বুরাইয়ার একটি জনসভায় বিএনপি জামাত ও দলীয় কোন্দলে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাকে বিকৃত করে দলিয় কোন্দলের অপরাজনীতির শিকার হয়ে মামরার আসামী হন তিনি। জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক কিছু পত্রিকায়বিভিন্ন ভাবে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। ২০০১ সালের সালের নির্বাচনে ছাতকের আনাচেকানাচে নৌকা ও জননেতা মুহিবুর রহমান মানিকের নির্বাচনী গণসংযোগে মাঠকর্মী হিসেবে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন । ২০০২ সালের জানুয়ারি মাসে স্থায়ী ভাবে বসবাসের লক্ষে যুক্তরাজ্যে চলে যান ।

২০০৩ সালে যুক্তরাজ্য ছাত্রলীগের পাঠাগার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীকালে যুক্তরাজ্য যুবলীগের কর্মী হিসাবে সক্রিয় ভাবে কোজ করার পাশাপাশি নিজের রেস্তোরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। বাংলা টিভি সহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও রয়েছে তার কাজ করার অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জনক। সম্প্রতি তিনি ওপেন হার্ট সার্জারি করে নতুন সুস্থ্য জীবন লাভ করেন।

এ বিষয়ে মোহাম্মেদ হোসাইন আহমেদ জানান, আমি সংকল্পবদ্ধ হয়েছি জীবনের অবশিষ্ট সময়টুকু দেশ ও জনগনের সেবা করে যেতে চাই। জননেতা মুহিবুর রহমান মানিক এমপি’র স্নেহধন্য হতে পেরেছি এটা বড় একটা প্রাপ্তি। তিনি আরো বলেন, এলাকায় রাস্তাঘাট পাকাকরন, স্কুল মাদ্রাসার উন্নয়নে সাংসদ মহোদয়ের মাধ্যমে যথাসাধ্য কাজ করেছি। উন্নত দেশে বসবাসের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাই। কাজের পরিধি বিস্তার ও যোগাযোগব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি এবং অবহেলিত জনগোষ্ঠীর নাগরীক সেবার মান উন্নত করাই আমার লক্ষ। আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন বলে জানান মোহাম্মেদ হোসাইন আহমেদ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৩ জনের মধ্যে ২০ বছরের বেশি বয়সী একজন, চল্লিশোর্ধ্ব একজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব দুইজন এবং ষাটোর্ধ্ব নয়জন ছিলেন। ঢাকা বিভাগের ছিলেন সাতজন, খুলনার একজন, সিলেটের দুইজন এবং রংপুর বিভাগের ছিলেন তিনজন।