জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে লালব্যাজ ধারণ করুন, বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক।।
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, সীমান্ত হত্যার কথা বলে কালো ব্যাজ ধারণ পরিহার করে মানুষ পুড়িয়ে হত্যার জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে লাল ব্যাজ ধারণ করুন।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা আব্দুর রাজ্জাক ও মহিউদ্দিন চৌধুরী’র স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি লায়ন চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে ও জোটের সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র অরুণ সরকার রানার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, নাহিম রাজ্জাক, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, আওয়ামী লীগ নেতা বলরাম পোদ্দার প্রয়াত দুই নেতার স্মৃতিচারণ করেন এবং আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে সাংবাদিক সমীরণ রায় প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সীমান্ত হত্যা বন্ধের নামে কালো ব্যাজ ধারণ করার কথা বলছে। বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো, তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন সীমান্ত হত্যা কি পরিমাণ ছিল আর এখন কোন পর্যায়ে আছে, সেই পরিসংখ্যানটা একটু খতিয়ে দেখার জন্য। তাদের আমল থেকে সীমান্ত হত্যা এখন অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে, কমে এসেছে।

এই সীমান্ত হত্যা যাতে একেবারেই শূন্যের কোটায় নেমে আসে সেজন্য আমাদের সরকার চেষ্টা করছে এবং মঙ্গলবার দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান ড. হাছান।

তিনি বলেন, আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো আপনারা যে মানুষকে পেট্রোল বোমা মেরে, পুড়িয়ে হত্যা করেছেন আর আপনাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান সাহেব নির্বিচারে সৈনিক হত্যা করেছেন, সেজন্য জনগণের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চেয়ে লাল ব্যাজ ধারণ করবেন। কারণ আপনারা যেভাবে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছেন, রাজনৈতিক কারণে এভাবে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা সমসাময়িক পৃথিবীতে কোথাও ঘটেনি।

বক্তব্যের শুরুতে প্রয়াত দুই নেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানা তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়াত নেতা আব্দুর রাজ্জাক শুধু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তা নয়, ’৭৫ এর পরে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে তার অবদান আওয়ামী লীগের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একইসাথে আমাদের শ্রদ্ধাভাজন কর্মীবান্ধব এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন চট্টগ্রামের গণমানুষের নেতা এবং চট্টগ্রামের নন্দিত মেয়র। তারা অনুকরণীয় নেতৃত্বের অসামান্য উদাহরণ।