জামালগঞ্জের প্রয়াত শিক্ষা কর্মকর্তার শোক সভায় বৈষম্য

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।।
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার সদ্য প্রয়াত সাবেক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: নুরুল আলম ভুঁইয়ার শোক সভাকে কেন্দ্র করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সুধি মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, নূরুল আলম ভুঁইয়ার শোক সভায় শুধুমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে বুধবার জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ হল রুমে শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষকর্মকর্তার আহবানে একটি শোক সভার আয়োজন করা হয়েছে।

ওই সভায় উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন সহকারী শিক্ষক এমনকি সুধিজনকে আমন্ত্রন না জানানোয় উপজেলাজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষকবৃন্দ, সুধিসমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকগণ জানান, নূরুল আলম ভুঁইয়া তার কর্মদক্ষতা ও সততায় জামালগঞ্জে চাকুরকিালীন সময়ে প্রায় সকলের সাথে হৃদতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিশেষ করে প্রাথমিক শিক্ষকরা তাঁকে দায়ীত্বশীলতার ও ন্যায়পারায়নতার জন্য আলাদাভাবে সম্মান করতেন। প্রায় অধিকাংশ সহকারী শিক্ষক সদ্য প্রয়াত সাবেক এই কর্মকর্তার শোক সভায় আমন্ত্রন না পাওয়ায় বিভিন্ন ভাবে কষ্ট বর্ণনা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামালগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকজন সহকারী শিক্ষক বলেন, সদ্য প্রয়াত নূরুল আলম ভুঁইয়া স্যার একজন ভালো মানুষ ও নিষ্টাবান কর্মদক্ষ অফিসার ছিলেন। তাঁর সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষকদের মাঝে তিনি বৈষম্য রাখেননি। তাঁর আমলে জাতীয় অনুষ্ঠান, ইফতার মাহফিল, বিদায় অনুষ্ঠানসহ সকল অনুষ্ঠানে তিনি সবাইকে নিয়ে কাঁদে-কাঁদ মিলিয়ে কাজ করেছেন। সে জন্যই তিনি আমাদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আমরা উনার আত্মার মাগফেরাত কামনাসহ শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। কিন্ত বর্তমান জামালগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারে এমন বৈষম্যর জন্য আমরা মর্মাহত।

এব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম রাব্বী জাহানকে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফ উদ্দিন বলেন, ঘেদারিং বেশী হবে এজন্যই শুধু প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে শোক সভার আয়োন করেছি। এখানে বৈষম্যের চিন্তা আসলো কেন।