টয়লেটের ভেতর থেকে উধাও ২ আসামি!

অনলাইন ডেস্ক।।
প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবে বলে দুজন আসামি একসঙ্গে হোটেলের একটি টয়লেটে যায়। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আসামিরা ফিরে না আসায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা টয়লেটের দরজা ভেঙে দেখেন ভেতরে কেউ নেই। তবে টয়লেটের জানালাটি ভাঙা ছিল।

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে ঢাকা থেকে নোয়াখালী নেওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৪ জন পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

একইসঙ্গে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক জিহান আহমদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ হেড কোয়ার্টারে জানানো হয়েছে।

বুধবার (১৮ আগস্ট) সকালে আদালতের নির্দেশে আসামিদের পুলিশ হেফাজতে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। পরে ঢাকায় ডিএনএ টেস্ট শেষে দুপুরে নোয়াখালী আনার পথে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় একটি হোটেল থেকে পালিয়ে যায় তারা।

পলাতক আসামিরা হচ্ছেন- সোনাইমুড়ী উপজেলার মিয়ারপুর এলাকার চাঁন মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল (২৪), বগাদিয়া গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮)।

জানা গেছে, দুপুরে ঢাকা থেকে ফেরার পথে মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া আল মদিনা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে পুলিশ হেফাজতে দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য নামেন আসামিরা। এ সময় আসামিরা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবে বলে দুজন একসঙ্গে হোটেলের একটি টয়লেটে যান। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আসামিরা ফিরে না আসায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা টয়লেটের দরজা ভেঙে দেখেন ভেতরে কেউ নেই। তবে টয়লেটের জানালাটি ভাঙা ছিল।

নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে আসামিদের ঢাকায় ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে নোয়াখালী আসার পথে হোটেলের টয়লেটের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় তারা। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অপরাধে ওই পুলিশ কর্মকর্তা এবং অন্য সদস্যদের সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।