দোকানে সাটার বন্ধ করে ছাত্রীকে ধর্ষণ করলো ডেকোরেটর ব্যবসায়ী

মোঃ ইব্রাহিম, নোয়াখালী।।
নোয়াখালীর সেনবাগে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক থেকে তুলে নিয়ে পঞ্চম জমাতের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ওই ছাত্রী মা বাদী হয়ে ২জনকে আসামি করে সেনবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে পুলিশ এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

অভিযুক্ত আসামিরা হচ্ছে, বীজবাগ ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের নীর নারায়ণপুর গ্রামের নজু কারিগর বাড়ির মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে জহির উদ্দিন (৪৫) ও তার সহযোগী একই এলাকার মৃত আলী সারেংয়ের ছেলে হাবীব উল্যাহ (৪৩)।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ছাত্রী মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বীর নারায়ণপুর গ্রামের জহিরের ডেকোরেটর দোকানের সামনে পৌঁছলে সড়ক থেকে জহির মুখ চেপে ধরে ওই ছাত্রীকে দোকানের ভিতরে নিয়ে যায়। পরে দোকানের সাটার বন্ধ করে হাবীবের সহযোগিতায় তাকে ধর্ষণ করে জহির। এ সময় মেয়েটির চিৎকারে সড়ক দিয়ে যাওয়া লোকজন এগিয়ে আসলে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী জানান, ধর্ষক জহির পেশায় একজন ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। অপর আসামি হাবীব দোকানের জায়গার মালিক। বিভিন্ন সময় প্রতিবেশী ওই মাদরাসা ছাত্রীকে টাকা পয়সা দিয়ে প্রলোভন দেখাত জহির। ঘটনার পর থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।