নির্বাচনী সহিংসতায় উত্তাপ বেতাগীতে: রাতে যুবককে কুপিয়ে জখম

বেতাগী প্রতিনিধি, বরগুনা।।
আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একের পর এক হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে উত্তাপ হয়ে উঠেছে বেতাগীর সাতটি ইউনিয়ন। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে গুরতর আহত হয়েছেন ১৯জন দোকানঘর,বসতবাড়িসহ ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ী।

মঙ্গলবার রাত ১১টায় নিবার্চনী সহিংসতায় এক যুবককে রাতের আধারে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। উপজেলার সরিষামুড়ি ইউনিয়নের ভোড়া গ্রামের বাসিন্দা ছালাম বিশ্বাসের ছেলে আহত রফিক বিশ্বাস(২৮) আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনার পরপরই আহত রফিক বিশ্বাসকে ওই ইউনিয়নের আ.লীগের প্রার্থী ইমাম হাসান শিপন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফসুফ শরিফ দুজনেই তাদের স্ব-ম্ব সমর্থক বলে দাবী করেন।

তবে গুরুতর আহত হওয়ার পর বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফরহাদ হোসেন ও দায়িত্বরত উপ-পুলিশ পরিদর্শক(এসআই) করুন বিশ্বাস আহত ব্যাক্তির জবানবন্দি ভিডিও রেকর্ড করেন সেখানে সে স্পষ্ট বলেছেন তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী ইফসুফ শরিফের সমর্থক। তবে কারা তার উপর হামলা করেছে এ ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

কর্তব্যরত চিকিৎসক ও দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা এ তথ্য যুগান্তরকে নিশ্চিত করে আরো বলেন, তার গলার শিরা কেটে যাওয়ার কারনে প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হচ্ছিলো ফলে তাকে বরিশালে দ্রুত পাঠানো হয়।

জানা যায়, ওই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রার্থী ফোরকান হাওলাদারের উঠান বৈঠক থেকে আসার পথে হামলার শিকার হন রফিক বিশ্বাস।

আ.লীগ প্রার্থী ইমাম হোসেন শিপন বলেন, আহত রফিক ও তার পরিবার আমার সমর্থক ও কর্মী এ সম্পূর্ণ ঘটনা ইফসুফ শরিফের দুই ছেলেরা ঘটিয়েছেন এবং আমাকে ফাঁসাতে চাচ্ছেন।

অপরদিকে স্বতন্ত্রপ্রার্থী ইফসুফ শরিফের সমর্থকরা বলেন, আহত রফিক বিশ্বাস তাদের কর্মী ও এবং একসাথে এশাধিক মিটিং মিছিলে অংশগ্রহণও করেছে।

এ ব্যাপরে বেতাগী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।