প্রার্থীকে নিয়ে দশমিনায় এমপি ও আ’লীগ নেতার বিরোধ

দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা।।
পটুয়াখালী জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য এসএম শাহজাদা সাজুর সঙ্গে দশমিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ইকবাল মাহমুদ লিটনের বিরোধ দেখা দিয়েছে। দশমিনা উপজেলার ০৫ নম্বর ওয়ার্ডে দুই সাধারন সদস্য প্রার্থীকে নিয়ে তাদের মধ্যে এ বিরোধে জড়িয়েছেন।

জানা যায়, চলতি মাসের ১৭ তারিখ পটুয়াখালী জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এ নির্বাচনে ৯৪ জন ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনে ০৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন ভুট্টো তালা প্রতীক এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান (গাজী মিজান) টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।স্থানীয় এমপি শাহজাদা সাজু সমর্থকরা টিউবওয়েল প্রার্থীর পক্ষে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটনের সমর্থকরা তালা প্রতীকের পক্ষে ভোটের মাঠেনেমেছেন।

এ বিষয়ে তালা প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন বলেন, এমপি শাহজাদা ভোটারদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। তিনি ভোটারদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে টিউবওয়েলের পক্ষে ভোট চাচ্ছেন। গোপনে মিটিং করছেন। এমপির বাবাও ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে, টিউবওয়েল প্রতীকের প্রার্থী গাজী মিজান বলেন, আমি ভোটারদের কাছে ভোট চাচ্ছি। ভোটাররা আমার প্রতি আস্থা রাখছেন। আমার পক্ষে এমপি সাহেবের ভোট চাওয়া ও কাউকে ভয়ভীতি দেখানোর প্রশ্নই ওঠে না। তবে এমপি আমাকে পছন্দ করেন। ভয়ভীতি যদি দেখান, সেটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ লিটনই দেখাতে পারেন।

এ বিষয়ে ইকবাল মাহমুদ লিটন বলেন, দুজন প্রার্থীই আওয়ামী লীগের। তাই এমপি সাহেবের সরাসরি একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করা অনুচিত। অথচ তিনি টিউবওয়েল মার্কায় ভোট দিলে ভোটারদের বিভিন্ন সরকারি বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন। তিনি যে বক্তব্য দিচ্ছেন তা দলের মধ্যে ভাঙন ধরানোর পাঁয়তারা।

এ বিষয়ে এমপি শাহজাদা সাজু এসব অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আমি কাউকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছি না এবং আমার বৃদ্ধ বাবারও কাউকে ভয় দেখানোর প্রশ্নই ওঠে না। ইকবাল মাহমুদ লিটন দলের উপজেলা সম্পাদক হয়ে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। আমি আচরণবিধির মধ্যে থেকে দলের জন্য কাজ করছি।