বরগুনা ও পাথরঘাটা পৌরসভায় ভোট গ্রহন শুরু, অনেক কেন্দ্রেই এজেন্ট নেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর

গোলাম কিবরিয়া, বরগুনা।।
পৌরসভা নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) বরগুনা ও পাথরঘাটা পৌরসভায় ভোট গ্রহন শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয়েছে চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। শীত উপেক্ষা করেই সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে বিভিন্ন জায়গায়। তবে কিছু কিছু কেন্দ্রে স্বতন্ত্রপ্রার্থীর এজেন্ট নেই।

বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে ৯ মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ৩৫ কাউন্সিলর ও ১৪ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পৌরসভা নির্বাচনে মোট নয়টি কেন্দ্রর ৮০টি বুথে ভোট গ্রহণ শুরু।বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ২৬ হাজার ১২ জন। এদের মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ১৩ হাজার ৮৫ জন এবং পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১২ হাজার ৯২৭ জন।

এদিকে পাথরঘাটা পৌরসভা নির্বাচনে ৫ মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি ৪১ জন কাউন্সিলর ও ১৫ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পৌরসভা নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১৪ হাজার ১৪৬ জন তাদের ভোট প্রয়োগ করবে। এদের মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৭ হাজার ১৭৯ জন এবং পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৬ হাজার ৯৬৭ জন। এখানে নয়টি কেন্দ্রে ৪৬ টি বুথ রাখা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার হাওলাদার বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ মোট ১১ জন ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত পুলিশ, অতিরিক্ত আনসার ও বিজিবি কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করার জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশন থেকে অনুমতি নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনে দুই প্লাটুন বিজিবি, পুলিশের তিনটি মোবাইল টিম ও ছয় ব্যাটালিয়ন পুলিশের টিম রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রেই থাকছে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। একজন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনে সার্বিক মনিটরিং করছেন। প্রতিটি কেন্দ্র ৭জন পুলিশ, ১০ জন আনসার সদস্য রয়েছেন।

এদিকে পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে যান চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করেছে জেলা প্রশাসন।

এ বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরিনা সুলতানা তিনি বলেন, তারা ২৯ থেকে ৩০ জানুয়ারি নির্বাচনী কার্যক্রম শেষ হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনে কোনও অনিয়ম দেখলে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ম্যাজিস্ট্রেটের পাশাপাশি নির্বাচনে র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। এজেন্ট না থাকার প্রসঙ্গে তিনি আরো জানিয়েছেন প্রার্থীর এজেন্ট না দিতে পারে সে ক্ষেত্রে আমরা কি করতে পারি।