বরিশালে ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে হত্যা: ভাসুর কারাগারে

রূপালী ডেস্ক॥
বরিশাল নগরীর ২৮ নং ওয়ার্ডের শেরে বাংলা সড়কের মা মঞ্জিলের বাসিন্দা ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বিলকিস বেগমকে কুপিয়ে হত্যার কর দীর্ঘ ৭টি বছর বরিশালের বাহিরের বিভিন্নস্থানে ছদ্ম নাম ব্যবহার পালিয়ে রক্ষা পেলনা আসামী আলম শরীফ অবশেষে এয়ারপোর্ট থানা (বিএমপি) একদল পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে।

সোমবার (১৮ জানুয়ারী) ভোর রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহি বিলাশবহুল লঞ্চ এমভি ফারহান লঞ্চ থেকে গ্রেফতার করেন এয়ারপোর্ট থানার এ.এস আই আঃ রাজ্জাক, এ.এসআই কামাল হোসেন ও এ.এসআই মাহমুদ।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে বিলকিস বেগমের ভাসুর মোঃ আলম শরীফ বিলকিস বেগমের ব্যাংকের চেক চুরি করে সেখানে ১লক্ষ টাকা লিখে এনে বিলকিসকে স্বাক্ষর করতে বলে আলম শরীফ।

এক প্রর্যায়ে ভাসুর আলম শরীফ ও ছোট ভাই ছালাম শরীফ বাদশার স্ত্রী বিলকিসের সাথে কতা কাটাকাটির এক প্রর্যায়ে ভাতিজা ইমন শরীফ (১৪) এর সামনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বিভিন্নস্থানে কুপিয়ে আহত করে পালিয়ে যায়। বিলকিস বেগমকে প্রথমে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইতে ৫১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করে বিলকিস বেগম।

এ ঘটনায় বিলকিসের পিতা মোফিজ উদ্দিন বাদী হয়ে একমাত্র আলম শরীফকে আসামী করে (বিএমপি) এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আলম শরীফ সেই থেকে দেশের বিভিন্নস্থানে নিজের নাম পরিচয় ও ভোটার আইডি কার্ড পরিবর্তন করে পলিয়ে জীবন যাপন করছিলেন।

এদিকের সেদিনের প্রত্যক্ষদর্শী ছেলে ইমন শরীফ বলেন, তার মা হত্যা হওয়ার মামলা তুলে নিতে আসামীর পক্ষ থেকে তাদেরকে বিভিন্নভাবে ভয় ভীতি প্রদর্শন করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে আলম শরীফকে আদালতে সোপর্দ করার মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে এয়ারপোর্ট থানা থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।