বরিশালে ঢাকাগামী ৭ লঞ্চে বিআইডব্লিউটিএর অভিযান

রূপালী ডেস্ক।।
নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে বরিশাল লঞ্চঘাটে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ৭ লঞ্চে অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এসময় ৩টি লঞ্চের ইঞ্জিন রুমের কিছুটা দূরে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে চা তৈরি করায় ৩টি চায়ের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি ওই ৩টি লঞ্চসহ ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ৭টি লঞ্চকে ভবিষ্যতে কখনো গ্যাস সিলিন্ডার না রাখার ব্যাপারে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল কার্যালয়ের নৌ-নিরাপত্তা শাখার উপ-পরিচালক ও বন্দর কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সহায়তা করেন নৌ থানা পুলিশের সদস্যরা।

বন্দর কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে বরিশাল লঞ্চঘাটে রাতে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী ৭ লঞ্চে অভিযান চালানো হয়। লঞ্চগুলো হচ্ছে, এমভি মানামী, এমভি অ্যাডভেঞ্চার ১, কীর্তনখোলা ১০, পারাবত ৮ ও ১৮, সুন্দরবন ১০ এবং সুরভী ৯।

অভিযানে নৌযানের ফিটনেস সনদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও জীবনরক্ষাকারী প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যন্ত্রাংশ ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখা হয়। এসময় এমভি মানামী, এমভি অ্যাডভেঞ্চার ১ এবং কীর্তনখোলা ১০ লঞ্চে নিচতলায় ইঞ্জিন রুমের অদূরে থাকা পৃথক ৩টি চায়ের দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারা গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করে চুলা জ্বালিয়ে চা তৈরি করছিলো।

এছাড়া এই ৩টি লঞ্চসহ ৭টি লঞ্চকে ভবিষ্যতে কখনো গ্যাস সিলিন্ডার না রাখার ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা যথাযথ ভাবে আছে কিনা তা দেখা হয়েছে। আগামীতেও নৌপথে দুর্ঘটনা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানান বরিশাল বন্দর কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান।