বরিশালে শ্রমিক সদস্য সুমনের ওপর হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

রূপালী বার্তা।।
বরিশাল জেলা অটো টেম্প, অটো রিক্সা, মিশুক, বেবী টেক্সী, ট্রাক্সীকার শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য মোঃ সুমন হাওলাদারের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ও অবিলম্বে সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বরিশাল নগরীর কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালের সামনে একর্মসূচি পালন করে তারা।

এসময় বক্তব্য রাখেন বাস মালিক সমিতি সাবেক সভাপতি ও কাশিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিটন মোল্লাসহ বিভিন্ন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

জানা গেছে, বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়ায় অভিযোগের বাদী শাহানাজ পারভীন ও তার পরিবারের উপর অর্তকিত হামলা চালিয়েছে বরিশালের মাদক সম্রাজ্ঞী বেবি ও তার পরিবারের সদস্যরা।

গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আট টার দিকে এই ঘটনা ঘটে বরিশাল নগরীর ভাটার খাল এলাকায়। এই ঘটনায় বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল নগরীর ভাটারখাল এলাকার মাদক সম্রাজ্ঞী বেবি ও তার পরিবারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ সাধারণ মানুষ। প্রতিনিয়ত বেবি তার ছেলে সাদ্দাম, তারেক, জামাই জিদনী ওই এলাকায় নানা অপকর্মের সাথে জরিত ভাটারখাল বস্তিতে তারা নানান ভাবে মানুষকে হয়রানী করে আসছে। এ বিষয়টি নিয় চলতি মাসে পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ দেয়ার পর থেকে অভিযোগের বাদীদের নানা ভাবে হয়রানী করে আসছে। বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা এনিয়ে অনেবার অভিযোগও দেয়া হয়েছে।

পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দেয়া বাদী শাহানাজ পারভীন জানান, গত ২০১৯ সালে আমার ছেলের নামে একটি ভূয়া ফেইজবুক আইডি খুলে অশ্লীল মন্তব্য পোষ্ট করায় বেবির মেয়ে জামাই জিদনীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়রে করার পরে পুলিশ তাকে আটক করে। এ ঘটনায় অনেকদিন হাজত বাস করে জিদনী। জেল থেকে বের হয়েই আমার পরিবারের উপর নানা ভাবে হামলা মিথ্যা মামলাসহ আমার পরিবারের সদস্যদের হয়রানী করে আসছে।

আমরা কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের কাছে এর প্রতিকার চেয়ে অনেকবার জিডি ও অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ বা ডিজির বিষয়ে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় আমরা পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগ দায়ের করার সংবাদ পেয়েই আমার পরিবারের উপর অর্তকিত হামলা চালায়।

হামলায় আমার স্বামী আলমগীর সরদার, আমার ছেলে রুবেল, আমার মেয়ের জামাই সুমন, আমার ২ মেয়ে এবং পাশ্ববর্তি আজাহার এবং তার ছেলেক কুপিয়ে জখম করে। এর মধ্যে আমার মেয়ের জামাই সুমনের সারা শরীরের প্রায় ৮৫/৯০টি সেলাই লেগেছে।

আমরা এই ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় ২টি মামলা দায়ের করি। মামলা দায়ের পর আসামী তারেক সহ অন্যানো আসামীরা মেডিকেলে গিয়ে আমার পরিবারের লোকজনদের হুমিক প্রদান করছে। আমরা এখনো নিরাপত্তাহীনতায় আছি।