বানারীপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মসজিদ কমপ্লেক্সের স্থান পরিদর্শনে এমপি ও ডিসি

জাকির হোসেন, বানারীপাড়া (বরিশাল)॥
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিলো মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নিজস্ব ভবন এবং মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স। বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম নির্বাচিত হবার পরেই এলাকাবাসীর সেই দাবী পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করেন। ইতোমধ্যেই মসজিদ কমপ্লেক্স ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের অনুকুলে বরাদ্ধ করিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. শাহে আলম এমপি।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি মো. শাহে আলম এমপি ও বরিশালের জেলা প্রশাসক জেলা প্রশাসক এস, এম, অজিয়র রহমান উপজেলা মডেল মসজিদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় নির্মাণ স্থানের জমির মালিকসহ স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেণ।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক উপ-সচিব দেলোয়ার হোসেন, বরিশালের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. শহিদুল ইসলাম, বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম ফারুক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ, পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মফিজুর রহমান, বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শেখ কুতুব উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হুদা, থানা নির্বাহী অফিসার মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মাহমুদ হোসেন মাখন, মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মল্লিক ও মকবুল হোসেন মৃধা, আওয়ামী লীগ নেতা ডা. খোরশেদ আলম সেলিম, পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি সুব্রত লাল কুন্ডু, বানারীপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি রাহাদ সুমন, সহ-সভাপতি জাকির হোসেন, কে এম শফিকুল আলম জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মুন্তাকিম লস্কর কায়েস, আওয়ামী লীগ নেতা মো. হারুন অর রশিদ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক জাহিদ হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সজল চৌধুরী, পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহম্মেদ শাওন প্রমুখ।এর জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে জমির মালিকদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা ও স্থান পরিদর্শনের জন্য বরিশাল জেলা প্রশাসক এস এম অজিয়র রহমান বানারীপাড়ায় আসেন।

এসময় তিনি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা কুমুদ বিহারী গুহঠাকুরতার সমাধী ও তার প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রীয় সার্বজনিন মন্দির এবং কেন্দ্রীয় হরিসভা মন্দিরও পরিদর্শন করেন।