বাবুগঞ্জ অনুমোদনহীন কারানায় তৈরি খাবারে মশা—মাছি আর ধূলা-বালি

বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি।।
অনুমোদনহীন মধু বন বেকারি কারখানায় নোংরা পরিবেশে তৈরি হচ্ছে রকমারি খাবার। কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বাবুগঞ্জ উপজেলা রহমতপুর ইউনিয়নের রাজকর গ্রামের ভেতরেই তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন বেকারি পণ্য। আর এই সব খাবার যাচ্ছে পাড়া—মহল্লার বিভিন্ন দোকান থেকে শুরু করে নামিদামি হাট বাজারে। বিক্রি হচ্ছে বিস্কুট, কেক, পাউরুটি, নানা বাহিরে খাবার।

কখনও কি কেউ ভেবে দেখেছেন এই খাবারগুলো কোথায় তৈরি হচ্ছে? কী দিয়ে তৈরি হচ্ছে? এসব খাদ্যপণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও যাচাই করার দায়িত্বে যারা আছেন তারা তাদের দায়িত্ব কতটা পালন করছেন?

গত বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এ খাদ্য তৈরির কারখানর নেই কোন সরকারি অনুমোদন। খাবার দেখে বোঝার উপায় নেই এটি কোন বেকারির উৎপাদান। এসব বেকারিতে মানা হয় না নিরাপদ খাদ্য তৈরি কোন নিয়ম। তৈরি করা খাবারে বসছে মশা—মাছি আর পোকা। আবার ধূলা বালি ও শ্রমিকের ঘাম। কারখানায় নেই স্যানিটেশন এবং অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা। এমনকি প্রতিষ্ঠানের সাইনবোড পর্যন্ত নেই।

রয়েছে ক্ষতি কারক রাসায়নিক পদার্থ, কেমিকেল ও একাধিক পাম ওয়েলের ড্রাম। ডালডা দিয়ে করা ক্রিম রাখা পাত্রগুলোতে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছি ভনভন করছে। উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণ বাহারি মোড়কে বনরুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট, বিভিন্ন ধরনের বেকারি সামগ্রী তৈরি করা চচ্ছে। বাবুগঞ্জ উপজেলায় এমন আরো প্রতিষ্ঠান আছে যাদের অবস্থাও এমন।

বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বেকারি শিল্প—প্রতিষ্ঠান করতে প্রথমেই প্রয়োজন বিএসটিআই এর অনুমোদন। পাশাপাশি পরিবেশ, নিরাপদ খাদ্য, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও কলকারখানা অধিদপ্তরের অনুমোদন। এই আইন অমান্য করে যারা কারখানা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ নেওয়া হবে।

তিনি আরো জানান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহ্যত আছে মানসম্মত খাবার তৈরি নিশ্চত করতে অবৈধ বেকারিগুলোকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।