ভান্ডারিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতা একজনকে পিটিয়ে আহত

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি, পিরোজপুর।।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় ২ নং নদমূলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে মোরগ মার্কার প্রার্থী খালেক মোল্লার বাহিনী হামলায় তালা মার্কার সমর্থক জাকারিয়া খান (৪২) গুরুতর আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ জুন) উপজেলার নদমূলা শিয়ালকাঠী ইউনিয়নের ও স্থানীয় কলোনী বাজারে মঙ্গলবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। জাকারিয়া খানকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটানায় জাকারিয়া খান বাদী হয়ে ভান্ডারিয়া থানায় এজাহার দয়ের করেন।

আহত জাকারিয়া খান বলেন ২১ জুন নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে আমি মিলন খানের তালা মার্কার সমর্থন করায় খালেক মোল্লার মোরগ মার্কার সমর্থকরা আমাকে আমর ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে মারধোর করে। আমার ডাক চিৎকার শুনে দোকানের পাশে বাসা থেকে আমার স্ত্রী এগিয়ে আসলে তাকেও মারধোর করে এবং আমার ক্যাশে অনুমানিক ৬০ হজার টাকা লুটকরে নিয়ে যায়।

জাকারিয়া খান এর স্ত্রী শিরিন বেগম জানান, ডাকচিৎকার শুনে আমি এসে দেখি সন্ত্রাসীরা আমার স্বামীকে মারপিট করছে। আমি বাঁধা দিতে গেলে তারা আমাকেও মারধোর করে এবং আমার গলায় থাকা স্বর্নের চেই নিয়া যায়। আমাদের চিৎকার শুনে আশে পাশের লোকজন আসলে সন্ত্রাসীরা চলে যায়।

এ ঘটানায় জাকারিয়া খান বাদী হয়ে শাহজাহান হাওলাদারের দুই পুত্র শফিকুল ইসলাম (২০) ও রবিউল ইসলাম (২৫), আব্দুর রহিম খানের পুত্র আবুবকর খান (২২), মৃত ইমান উদ্দিন হাওলাদারের পুত্র শাহজাহন (৫৫), লতিফ হাওলাদারের পুত্র হায়দার হাওলাদার (৪৫) সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে বিবাদী করে ভান্ডারিয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে মোরগ মার্কার প্রার্থী খালেক মোল্লা জানান, আমি শুনছি দুইটি ছেলে জাকারিয়া খানের দোকানে সিগারেট কিনতে গেলে তাদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারি ঘটনা ঘটে।

ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুমুর রহমান বিস্বাস জনান, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।