ভান্ডারিয়ায় সাজানো মামলায় হয়রানীর শিকার ১০ ব্যক্তি

ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি।।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় এক পরিবারকে একাধিক সাজানো মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের চরাইল গ্রামের সামছেল হক মোল্লার পুত্র মনির হোসেন মোল্লার (৪৫) সাথে একই গ্রামের আঃ খালেক মোল্লার (৭০) দীর্ঘ দিন যাবত জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এরই জের ধরে খালেক মোল্লা প্রতিবেশী মনির হোসেন মোল্লাসহ তার পরিবার ও স্বজনদের নামে হত্যার হুমকি, ছিনতাই ও লুটপাট অভিযোগ এনে একাধীক মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।

গত ১৯ অক্টোবর খালেক মোল্লা সহ তার লোকজন মনির হোসেন মোল্লার উপরে হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্বক জখমও করে। মনির হোসেন মোল্লা হাসপাতালে চিকিৎসাধীনাবস্থায় গত ২২ অক্টোবর আঃ খালেক মোল্লা বাদী হয়ে মনির হোসেন মোল্লার পরিবারের ১০ সদস্যদের নামে পিরোজপুর বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যজিষ্ট্রেট আদালতে একটি সাজানো মামলা দায়ের করে। এ মামলার কারনে থানা পুলিশের ভয়ে ওই পরিবার এখন বাড়ি ছাড়া।

এ দিকে খালেক মোল্লার দেয়া মামলায় ৭ জন সাক্ষির মধ্যে ১ম সাক্ষী মোঃ বসির মোল্লা বলেন, খালেক মোল্লার বাড়িতে লুটের ঘটনা ঘটেছে এমন কিছু আমিা জানি না। আমাকে যে সাক্ষি রাখা হয়েছে সেটা আপনাদের কাছে শুনলাম। মামলার মামলার ৪র্থ সাক্ষি বাবুল হাওলাদার ৫ম সাক্ষী রাশিদা বেগম ও তার মেয়ে ৬ষ্ঠ সাক্ষি মরিয়ম সহ অন্যান্যরা বলছেন লুটপাটের ঘটনা দেখা তো দূরের কথা তারা এমন ঘটনার কথা শোনেও নি, বরং ভক্তভোগী মনির হোসেন মোল্লা ও তার পরিবারকে হয়রানি করার জন্যেই মিথ্যা মামলা করেছে আঃ খালেক মোল্লা।

বাদি আঃ খালেক মোল্লার ভাইয়ের ছেলে ফোরকান মোল্লা বলেন, যদি লুটের ঘটনা ঘটে তবে আমার প্রথমে জানার বা দেখার কথা। কিন্তু আমি কিছুই জানিনা।

মামলার বাদি আঃ খালেক মোল্লার কাছে এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলে তিনি রিসিভ করেনি। এ ব্যাপারে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আসিকুজ্জামান বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন আছে। তদন্তের পরে আমরা যেটা পাবো সেভাবেই রিপোর্ট প্রদান করব।