মঠবাড়িয়ায় আওয়ামীলীগের সাইনবোর্ড টানিয়ে জমি দখলের অভিযোগ

মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি (পিরোজপুর)।।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় আওয়ামীলীগ ও তার অংগ সংগঠনের নামের সাইবোর্ড টানিয়ে সাফ-কবলা দলিলের জমি দখল করে দোকান ঘর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য হেলাল মুন্সীর বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের ভেরিবাধেঁর দু’পাশের জমির ওপর জেএল নং ২৬ নাপিতখালী এস,এ খতিয়ানের ১০৪, দাগ নং-১১৯৪, ১১৯৫ রেকর্ডীয় মালিক ও অতুল চন্দ্র হালদারের কাছ থেকে সাফকবলা দলিল মূলে ৫ শতাংশ জমি ১৯৮০ইং সনে আনোয়ার হোসেন আহসাব মেম্বার দাউদখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য তিনি মালিকানা প্রাপ্ত হন। ওই জমিতে গায়ের জোড়ে জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য হেলাল মুন্সী ৪,৫,৬ সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যা মনিরা আক্তারের স্বামী শহিদুল ব্যবসায়ী জাকির জামাল মুন্সী ও মোয়াজ্জেম মেম্বারের ছেলে আলিমের নেতৃত্বে একদল লোক শুক্রবার (০২ জুন) ভেরিবাঁধের উপর ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করেন। বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈকত রায়হানকে অবহিত করলে তাৎক্ষণিক তিনি অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দেন। ঘাপটি মেরে থাকা ভূমি দস্যুরা তার দুই দিনের মাথায় আবারও ওই জমিতে ৪ জুন রোববার ঘর উত্তোলনে পাঁয়তারা করলে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের একটি টিম সরজমিনে পরিদর্শন করলে তার সত্যতা খুঁজে পান।

যে ঘটনায় মিরুখালী বাজারের সর্ব স্তরের মানুষের মাঝে দখলদারদের বিরুদ্ধে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক যুব লীগের সভাপতি সাকিল আহমেদ নওরোজ বলেন, ২০১০ সনে ওই খালের বাঁধ নির্মাণের ঠিকাদার আমি ছিলাম। আমার জানামতে ওই জমির একচ্ছত্র মালিক আনোয়ার হোসেন, আহসাব মেম্বার। দলীয় সাইনবোর্ড ব্যবহার করে দলকে বিতর্কিত করে কতিপয় ব্যক্তি যদি কারও ভোগ দখলীয় জমি দখল করে থাকে তাহলে সেটি একটি ধিক্কারজনক অধ্যায়।

হেলাল মুন্সী জানান, আমি এ দখলের ব্যাপারে জড়িত নই বরং আমি দখলদারদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি। যতক্ষণে না জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে কোন বৈধ কাগজপত্র না দেয়া হয় সে পর্যন্ত কোন কার্যক্রম চলবে না। অথচ একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অহেতুক প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

সৈকত রায়হান সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, ঘর উত্তোলনের বিষয়টি অবহিত হয়েছি এবং জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়ে সকল কার্যক্রম বন্ধ দেয়া হয়েছে।