মির্জাগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনায় গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি (পটুয়াখালী)।।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে তুচ্ছ ঘটনায় নিপা বেগম (৩০) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগের পরিবার। আহত গৃহবধূ বর্তমানে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

শনিবার (১৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের স্লুইসগেট এলাকার হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত নিপা ওই বাড়ির মোঃ জুয়েল হাওলাদারের স্ত্রী ও তিন শিশু সন্তানের জননী। একই বাড়ির মৃত মমিন হাওলাদারের ছেলে আব্দুর রহমান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পেটানোর এ অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তার স্বামী।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রীতি ইউপি নির্বাচন ও জমি সংক্রান্ত বিষয়ে কিছুদিন ধরে জুয়েল ও রহমানের পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। ঘটনার দিন সকাল ৮ টার দিকে রহমানের ছেলে রাফি (৬) ও জুয়েলের ছেলে ইয়ামিন (৬) খেলতে খেলতে রহমানের ঘরে যায়। সেখানে বসে রাফি ইয়ামিনকে একটি থাপ্পড় দিলে তার কান্নাকাটি শুনে তার (ইয়ামিনের) মা সেখানে যায়। তখন থাপ্পড় দেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে রাফির মা ও ইয়ামিনের মা তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে রাফির মা নাজমা বেগম ইয়ামিনের মা নিপাকে জুতা দিয়ে পেটান। তখন উভয়ের দস্তাদস্তির এক পর্যায়ে নাজমা বেগমের স্বামী রহমান এসে নিপাকে চুলের মুঠি ধরে উঠানে আঁচড়ান এবং কিল ঘুসি ও লাথি মারেন। পরে একটি লাঠি এনে নিপাকে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় বেধড়ক পেটান। ফলে তার মাথার চুল উঠে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় যখম হলে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত রহমান মুঠোফোনের জানান, আমার বউ নাজমা ও জুয়েলের বউ নিপা মারামারি করেছে আমি ছারিয়ে দিয়েছি।

এ ব্যাপারে মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ আসেনি লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।