মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মনগড়া প্রতিবেদন প্রদানের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর বসুর বিরুদ্ধে বিরোধীয় জমিতে ধান রোপনের প্রতিবেদনে (মামলা নং ১৭০৫/২০২৪)মনগড়া তথ্য দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি বাদীর আপন বড় ভাই ও বেয়াইকে স্বাক্ষী বানিয়েছেন। অন্যদিকে বিরোধীয় জমিতে যিনি চাষাবাদ করেছেন সেই কৃষকের নামই প্রতিবেদনে উল্লেখ করেননি।

মামলার বাদী মো জাহিদ হোসেন বলেন, এমপি মামলা নং ১৭০৫/২০২৪ (কাজিরহাট) এর অন্তর্ভুক্ত বিরোধীয় জমিতে ধান রোপন সংক্রান্ত প্রতিবেদন বরিশাল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমা দেন উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর বসু। ওই প্রতিবেদনে আমার বড় ভাই সানাউল কবিরকে স্থানীয় তদন্তের স্বাক্ষী বানানো হয়েছে। অথচ এ বিষয়ে আমার ভাই কোনো স্বাক্ষী দেননি।

প্রতিবেদনে ৪ নম্বরের স্বাক্ষী মো. মিলন বলেন, আমার সঙ্গে কোনো কথাবার্তা না বলেই স্বাক্ষী হিসেবে দেয়া হয়েছে। আমি তো কোনো কিছু জানিই না। তিনি কীভাবে আমাকে স্বাক্ষী বানালেন আমার বোধগম্য নয়।

কৃষক মনজু মাতুব্বর বলেন, আমি কষ্ট করে ধান চাষ করলাম। যখন তিনি তদন্তে আসেন আমি তাকে ফোনে পর্যন্ত বলেছি আমি চাষাবাদ করেছি। কিন্তু প্রতিবেদনে আমাকে কৃষক হিসেবে নাম দেননি।

অভিযোগকারীরা বলেন, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের নেতা আলমগীর মাতুব্বর ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বজলু মাতুব্বরের ছত্রছায়ায় থেকে জমিগুলো দখলে রেখেছে বিবাদীরা। ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগের পতন হওয়ার পরও জমি ভোগদখল করার পায়তারা চলছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে মনগড়া তথ্য দেয়ার বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জে উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর বসু বলেন, এখানে পক্ষ বিপক্ষের কোনো স্বাক্ষী হিসেবে রাখা হয়নি। আমি ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর যারা উপস্থিত হয়েছিলেন তাদের নামই দিয়েছি। আর মনজু মাতুব্বর সরাসরি দেখা করতে পারেননি তাই কৃষক হিসেবে তার নাম আসেনি। তারপরও যদি মনে হয় প্রতিবেদন সঠিক হয়নি তাহলে আপত্তি করতে পারবেন।