যুবলীগ নেতা হত্যা চেষ্টা: আসামি গ্রেফতার না হলে আমতলীকে অচলের ঘোষণা

গোলাম কিবরিয়া, বরগুনা।।
বরগুনার আমতলী উপজলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমানর ভাগনে যুবলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদকে হত্যা চেষ্টার কুপিয়ে হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়ার ঘটনার বিচার দাবীতে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ ও সেছাসেবকলীগর উদ্যগে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।

রবিবার (১৩ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় আমতলী শহর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবশ কয়ক হাজার মানুষ অংশগ্রহন করন। আগামী ২৪ ঘটার মধ্য পুলিশ খুনি জিএম মুছাসহ আসামীদের গ্রেফতার করা না হলে আমতলী উপজেলা অচল করে দেয়ার ঘোষনা দেন আন্দোলনকারীরা।

জানাগেছে, আমতলী উপজলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পৌরসভার মেয়র মতিয়ার রহমানের ভাগনে যুবলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেন পৌর আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলর জিএম মুছা ও তার সহযাগীরা । এ টাকা দিতে অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা আজাদ। এত ক্ষিপ্ত হয় জিএম মুছা ও তার সহযাগীরা যুবলীগ নেতা আজাদকে গত ২১ ম রাতে কৌশলে ডেকে নিয়ে খুড়িয়ার খেয়াঘাট ও নোমরহাট সড়কের চলাভাঙ্গা নামক স্থানে হত্যার উদ্দশ্যে ধারালা অস্ত্র দিয় নির্মমভাবে কুপিয়ে তার দুই হাতের বাহু, তালু, কব্জি, দু পায়র হাটু, গোড়ালীসহ রগ কেটে দেয় এমন দাবী মেয়র মতিয়ার রহমানের।

এ ঘটনায় গতকাল শনিবার আজাদ বাদী হয় আমতলী থানায় জিএম মুছাকে প্রধান আসামী করে ১৫ জনের নামে চাঁদা দাবী ও হত্যার উদ্দশ্য কুপিয়ে গুরুতর যখমর অভিযাগ এনে মামলা দায়ের করেন।

আজাদকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় বিচার দাবীতে রবিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ ও সেছাসবকলীগর উদ্যাগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়। কয়ক হাজার নেতা কর্মীরা আমতলী পরসভার প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে আমতলী চৌরাস্তায় সমাবেশ করা হয়। উপজলা আওয়ামীলীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম মৃধার সভাপতিত্ব সমাবশ বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোঃ নাজমুল আহসান নানু, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোতাহার উদ্দিন মৃধা, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি উপজলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শহীদুল ইসলাম মৃধা, উপজেলা আওয়ামীলীগ ক্রীড়া সম্পাদক হারুন অর রশিদ, উপজলা শ্রমিকলীগ আহবায়ক মোঃ জহিরুল ইসলাম খোকন মৃধা, কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম জুয়ল, মীর হাবিবুর রহমান, সামসুল হক চকিদার, উপজলা ছাত্রলীগ সভাপতি মোঃ মাহবুবুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আলম মামুন সবুজ,উপজলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সাবাহান লিটন, যুবলীগ নেতা মাহবুব প্যাদা ও ব্যবসায়ী মোঃ কামাল আকন প্রমুখ। সমাবেশ আদালনকারীরা আগামী ২৪ ঘটার মধ্য পুলিশ খুনি জিএম মুছাসহ আসামীদর গ্রেফতার করা না হলে আমতলী উপজেলা অচল করে দেয়ার ঘোষনা দেন।

এসময় বক্তারা বলেন, যুবলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদকে সন্ত্রাসী জিএম মুছা ও তার সহোযাগীরা নির্মম নির্যাতন করছে। সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের কাহিনী আইয়্যাম জাহিলিয়াতের বর্বারতাকে হার মানিয়ছে। আমরা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচার চাই।

আমতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলন, যুবলীগ কর্মী আমার ভাগ্নে আবুল কালাম আজাদের কাছে সন্ত্রাসী ও খুনি জিএম মুছাসহ আসামীরা ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। ওই টাকা দিত অস্বীকার করায় আমার ভাগ্নেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে নির্মমভাব কুপিয়ে হাত ও পায়ের রগ কেটে দিয়েছে। আমার ভাগ্নে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে গত ২২ দিন ধরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এতটাই নির্মমতা বেঁচে থাকলেও স্বাভাবিক জীবনে আর ফিরে আসবে কিনা সন্দেহ আছে। তিনি আরও বলেন, জিএম মুছা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। মুছা দক্ষিণাঞ্চলের মাদক সিন্ডিকেটের মুল হোতা। আমি এ বর্বরতায় শাস্তি দাবী করছি।

এ বিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ(ও সি) মাঃ শাহ আলম হাওলাদার বলন, আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা অ