যে কারনে ২২ ঘণ্টা বাবার লাশ আটকে রাখলো সন্তানেরা!

অনলাইন ডেস্ক।।
সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারাকে কেন্দ্র করে সন্তানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। বাবার মৃত্যুর পর মরদেহ দাফনে বাধা দেয় এক পক্ষ। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ২২ ঘণ্টা পর মরদেহের দাফন সম্পন্ন করা হয়। মঙ্গলবার (২২ মার্চ) বিকেলে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের বানসা গ্রামের পশ্চিম হাজি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, দাফনে বাঁধা দেওয়ার ঘটনায় মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় ২২ ঘণ্টা পর ওইদিন সন্ধ্যার দিকে মান্নানের মরদেহের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

মোহাম্মদপুর ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাহালুল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, কয়েক বছর আগে আবদুল মান্নান তার ছোট ছেলে আবুল কালাম, তার (কালামের) স্ত্রী জাহানারা বেগম ও কালামের সন্তানদের নামে ৩৯ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে লিখে দেন। এনিয়ে তার অন্য দুই ছেলে ও দুই মেয়ের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। বার্ধক্যজনিত কারণে গত সোমবার (২১ মার্চ) রাত ৮টার দিকে মান্নান মারা যান। কিন্তু সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারাকে কেন্দ্র করে তার অপর দুই ছেলে ও দুই মেয়ে এবং নাতি-নাতনিরা মান্নানের মরদেহ দাফনে বাধা দেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আরও জানান, খবর আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় গোলাম সরোয়ার, সালা উদ্দিন মেম্বার, বেল্লাল মাঝি, সাবেক মেম্বার আবুল খায়ের, বেল্লালসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধানের আশ্বাসে পরদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যার দিকে মরহুমের জানাজা শেষে মরদেহ দাফন করা হয়।

মরদেহ দাফনে বিলম্বের কারণ জানতে চাইলে জাহানারা বেগমের ভাই আরমান পাপ্পু বলেন, কিছুটা সমস্যা হয়েছে। সমস্যা সমাধানের আশ্বাসে মরহুমের দাফন করা হয় এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বাহালুল চেয়ারম্যানসহ ২ নম্বর ওয়ার্ডের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে যেভাবে সুন্দর হয়, সেভাবে মরহুমের সম্পত্তির সমাধান করা হবে।