শ্যামল ছায়া ও বিরহী বধূ

শ্যামল ছায়া ও বিরহী বধূ
-মাহফুজা রিনা

সবুজ শ্যামল প্রান্তর, ছায়াঘেরা মাঠ,
সমুদ্রের নীলাভ মায়ার হাতছানি,
ঐ প্রান্তে শোনা যায় কার আওয়াজ।
কে গাহে গান?

গান! নাকি দুঃখিনী বধূর আর্তনাদ!
নিঝুম ঝিঁঝির ডাক, ঝিরিঝিরি বাতাস
দুঃখিনী বধুর মন ছুয়ে যায়,
এ কিসের আভাস!

বাতাস আজি ঘুমিয়ে আছে ঝাউ বন আর নীলাভ জলের বুকে, যেন সমুদ্র বিলাস।
এমনই দিনে দুঃখিনী বধূ রয়েছে আশায় কার?
সমুদ্রের ছায়াঘেরা পারে বসতি যার।

একলা ঘরে বিরহী বধূর মন মিলন মায়ায় কাটলো,
সেই বিরহ ব্যথায় নীল বসন আর কাঁকন যে তার কাঁদলো।
সাগর পারে দাঁড়িয়ে বধূ প্রহর গুনছে যে দিন রাত্রি,
জীবনকালের সঙ্গী বুঝি তার এলো ঐ নীলম সাগর সাঁতরে।

কষ্টে বধূর কাঁদছে পাখি তেপান্তরের বুকে,
কাঁদছে পাখি রাত্রি দিনে ঘুম নাহি তার চোখে।
কিশোরী বধূর বুকের মাঝে কান্নার সুর বাজে,
কাতর নয়নে ঝড়ে অশ্রু সকাল দুপুর সাঁঝে।