সাময়িক পরিচয়

সাময়িক পরিচয়
-হেলেন রহমান আঁখি

কিছু কিছু মানুষকে চলারপথে
জানা হয় যেন আকস্মিকতায়,
কাকতালীয়ভাবে ভাবনার সাথে নিজের
তার ভাবমূর্তি ও কেমন জানি মিলে যায়!

কিছুটা মুগ্ধতা, অনেকটা কথপোকথন
তারপর হঠাৎকরে হারায়ে যাওয়া সাময়িক পরিচয়।

হ্যাঁ, অনেকটা কষ্ট হয় মনের গহিনে
অভিমানী হতে ও মন ছাড়ে না
যখন কথা দিয়ে রাখে না কথা
সেজনা নিজ খেয়ালে,

হয়ত সে কষ্ট বা অভিমানের খোঁজ
রাখে না সে খেয়ালে
তবে যে করে মন দিয়ে অনুভব অন্যকে- সে মনোকষ্টে ভুগবেই
এ নিয়ম প্রাকৃতিক।

হয়ত সবাই সব পরিচয়কে
মন দিয়ে করে না স্পর্শ
তবে যে অনুভব করে পরিচয়কে
মনের ভেতর থেকে
সে ভোগ করে বিরহ ব্যথা।

আসলে পৃথিবীটা বড় অদ্ভুত!
পরিচয়ের পর কেউ তার স্মৃতিকে
অমূল্য ভাবে মান বিচারে
আবার কারো কাছে মূল্যায়নে
পরিচয় বেশ মূল্যহীন

এটা অবশ্য খুব সাধারণ
তবে কষ্ট পায় তারা
যারা অন্যকে বিশ্বাস করে ফেলে
মায়ায় পড়ে যায়
পেতে চায় এতটুকু সুখ।

সুখী হওয়া কি দুঃখীমনের
এতই সোজাকথা!
তাই তো ধরা দেয় সুখ
মরিচিকাসম আলোকচ্ছ্বটায়
আবার চাট করেই যায় হারিয়ে
পাওয়া যায় না তা নাগাল
এক জীবনের চলার পথে।

অবশেষে দুঃখী মন দুঃখীই রয়ে যায়
একাকী পথচলা ফের মৌনতায়।
সত্যিকার অর্থে
সাময়িক পরিচয় দুঃখীজনকে
সমৃদ্ধ করলেও সুখ ততটা
দেয় না,দেয় না স্বস্তি।