স্বরূপকাঠিতে চিংড়ি মাছে বিষাক্ত ম্যাজিক বল দিয়ে ওজন বৃদ্ধি করে বিক্রি

মোঃ ফয়সাল হাসান, স্বরূপকাঠী।।
পিরোজপুর স্বরূপকাঠী উপজেলায় চিংড়ি মাছের মধ্যে বিষাক্ত ম্যাজিক বল ঢুকিয়ে মাছের ওজন বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতরণা করছে বাজারের মনিষা ফিসিং হাউজ নামের একটি মাছের আড়ৎতের মালিক উত্তম মন্ডল।আজ বুধবার (২৯ জুলাই) বাজারের খুচরা মাছ বিক্রোতা স্বপনের কাছ থেকে সাংবাদিক ফয়সাল হাসান ৩ কেজি চিংড়ি মাছ কিনে বাড়ী নিয়ে যান। মাছ কাটার সময় প্রতিটি মাছের মাথার মধ্যে ফুলকার সাথে পানিভর্তি বিষাক্ত ম্যাজিক বল দেখতে পায়,পরে ফয়সাল উক্ত মাছ নিয়ে বন্দরের ওই আড়তে গিয়ে বিক্রির জন্য রাখা আরো মাছের মধ্যে একই বস্তু দেখতে পান।মাছ বিক্রেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি কিছুই জানিনা আড়ৎদার জানেন, ইতি মধ্যে মনিষা ফিসিং হাউজের মালিক উত্তম মন্ডল উক্ত স্থানে এসে “সকলের কাছে বেচিস কেন, লোক চিনিস না” এই বলে বিক্রেতাকে চড় থাপ্পর ও গালিগালাজ করতে শুরু করে। অতঃপর বাজারের অবস্থা বেগতিক দেখে সুযোগ বুঝে আড়ত মালিক উত্তম কুমার মন্ডল পালিয়ে যায়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করলে, তিনি তাৎক্ষনিক উক্ত স্থানে এসে মাছগুলো পরীক্ষা করে সকল চিংড়ি মাছের ভিতর বিষাক্ত ম্যাজিক বল গুলো দেখতে পান এবং তিনি উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও’কে বিষয়টি অবগত করেন মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে উপযুক্ত স্বাক্ষী প্রমান নিয়ে স্বপনকে দশ হাজার টাকা দন্ডাদেশ প্রধান করেন। এবং উক্ত মাছ গুলো ধংস করে তার উপস্থিতিতেই মাটিতে পুতে ফেলাহয়।

উপস্থিত অনেক ক্রেতা অভিযোগ করেন আড়তের অধিকাংশ মাছই ফরমালিন দেওয়া পচা এছাড়াও নিষিদ্ধ পিরানহা মাছও এখান থেকে সরবারহ হয়ে থাকে।সকল ধরনের মাছ সিন্ডিকেটের জন্য বিক্রি হয় বাজার থেকে অধিক চড়া দামে। মানব দেহের জন্য ক্ষতি কারক এসমস্ত মাছ কিনে বিপাকে পড়েন অধিকাংশ ক্রেতা। আর এ জন্যই বছরে দুই চারবার গুনতে হয় জরিমানা।কিন্তু তাতে কি আবার ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে পুষিয়ে নিচ্ছে দ্বিগুন মুনাফা।