‘হিজলায় ব্যাবসায়িকে আটকে রেখে নির্যাতন’ সংক্রান্ত সংবাদের প্রতিবাদ

রূপালী ডেস্ক।।

গত ২০ শে অক্টোবর একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল একুশের চোখ নামক পত্রিকায় ‘হিজলায় ব্যাবসায়িকে আটকে রেখে নির্যাতন ও টাকা ছিনতাই’ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন হিজলা উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়ন চরমেমানিয়া ৮ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা মোঃ কপিল উদ্দিন মোল্লা।

এক প্রতিবাদে তিনি বলেছেন, আমাকে জড়িয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত আমার বাড়িতে কাউকে আটকে রেখে নির্যাতন করে টাকা ছিনতাই করা হয়নি। আমি এই নিউজের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গত ২০আমার বিরুদ্ধে ইলেকট্রিক মিডিয়ার একটি দৈনিক পত্রিকা একুশের চোখ ও অন্যান্য পত্রিকায় আব্দুল মান্নান খান নামে একজন ব্যক্তিকে আটকে রেখে মারধর ও টাকা ছিনতাই এর অভিযোগ ছাপা হয়েছে যাহা আদৌ সত্য নয়। সাংবাদিকদের ভুল বুঝানো হয়েছে এবং ভুল তথ্য প্রদান করা হয়েছে|

আসলে হাজী আব্দুল মন্নান খান পিতা মৃত কাজল খান আমার স্ত্রীর রানী বেগম পিতা মৃত কাজল খান এর আপন বড় ভাই ঘটনার দিন হাজী আব্দুল মন্নান খান আমার বাড়িতে এসেছিল সত্য তবে আমার অসুস্থ স্ত্রীর সাথে দেখা করতে। আমার অসুস্থ স্ত্রী ও তার ভাই সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং কথাবার্তা শেষ করে তিনি তার গন্তব্যে রওয়ানা দেন। প্রকৃত পক্ষে হাজী আব্দুল মান্নান খান তাহার বোন ও আমার কাছ থেকে আমার দুটি হালের গরু বিক্রি করে এবং আমার অন্যান্য উপার্জন থেকে দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার নেয়।

বেশ কয়েক বছর আগে আমি হাজী আব্দুল মান্নান খানকে আমার স্ত্রীর বড় ভাইকে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা ধার দোই যাহা আজব পরিশোধ করেনি, দেই দিছি বলে কালক্ষেপন করে আসছে আমার মনে হয় সেই টাকা দেয়ার জন্য্য আমার নামে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য প্রদান করা হয়েছে এবং মিথ্যাচার করছে, বিশ শে অক্টোবর দুপুর বেলা আমার বাড়িতে রহমান এখন হানিফ চৌকিদার গিয়াস উদ্দিন তারা কেউ আসেনি যা এলাকাবাসী জানে। তাই আমি এই মিথ্যা প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।