৪ শিক্ষার্থীর জন্য ১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী!

মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি, পটুয়াখালী।।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ১৯৮৫ সালে স্থাপিত হয় পিঁপড়াখালী ইসলামাবাদ মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা। শুরুতে সুনামের সাথে চললেও বর্তমানে দুই-এক ক্লাসের কার্যক্রম চলছে ৪ জন শিক্ষার্থী দিয়ে।

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেনিকক্ষে নেই বসার চেয়ার-টেবিল ও বেঞ্চ। দেখে মনে হয় যেন পরিত্যক্ত পুরানো কোন ঘর। এভাবে চলে আসছে বছরের পর বছর। কিন্তু ১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী মাস শেষে নির্দিষ্ট স্কেলে বেতন পাচ্ছেন । শিক্ষকরা প্রতিদিন এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই চলে যান। ছাত্র-ছাত্রী নেই বলেই শিক্ষকরা এসে কিছুক্ষন পরেই চলে যায়।

মাদ্রাসা সুত্রে জানা যায়, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় মাদ্রাসাটি । ইবতেদায়ী থেকে দাখিল পর্যন্ত দশ টি শ্রেনির জন্য ১৪ জন শিক্ষক-কর্মচারী আছেন। খাতা কলমে শিক্ষার্থী রয়েছে ১৫৪ জন।

কিন্তু সরেজমিনে দেখা মিললো ইবতেদায়ী ১ম ও ২য় শ্রেনিতে ৪ জন শিক্ষার্থী। বাকী শ্রেনিকক্ষগুলো রয়েছে শিক্ষার্থী শূন্য।

এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ গোলাম মোস্তাফা বলেন, উপরের শ্রেনির বেশির ভাগই শিক্ষার্থীই অন্য এলাকার। দূরত্ব হওয়া তারা ক্লাসে আসে না। শুধু পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দীন বেপারি ঢাকায় থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মাদ্রাসাটি পরিদর্শন করে দেখা হবে।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মুজিবুর রহমান বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।