চরফ্যাশনে প্রতারণার ডিজিটাল ফাঁদ!

আমির হোসেন, চরফ্যাশন।।
চরফ্যাশন উপজেলার ব্যবসায়ীরা ডিজিটাল ওজন পরিমাপক মেশিন এখন ডিজিটাল প্রতারণার ফাঁদে পরিণত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয় প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেছেন ভূক্তভোগি ক্রেতাগন।

চরফ্যাশন পৌর বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ডিজিটাল পরিমাপে এমন করে রাখা হয় যে ১০০০ গ্রাম বা এক কেজিতে ৩/৪শ গ্রাম কম হয়। তাহলে ক্রেতাগন যদি এক কেজি গরুর মাংশ ক্রয় করেন সে ৩০০গ্রাম কম পাচ্ছেন। এই বিষয় প্রমাণ করেছেন চরফ্যাশন পৌর সভার ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মুনিয়া হক। তিনি এককেজি মাংশ ক্রয় করেছেন পুরোতন লোহার কেজি দিয়ে মেপে ৪শ গ্রাম মাংশ কম হয়েছে বলে এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

চরফ্যাশনে করোনার সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে ক্রেতাদেরকে ঠকানো/ওজনে কম দেওয়ার প্রতারণা যেন নিয়মে পরিণত হয়েছে। মাছ, মাংশ, তরকারি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে ডিজিটাল ওজন পরিমাপক মেশিন (ওয়টে স্কেল)।

যদিও দোকানদার বা বিক্রেতারা বলে থাকেন এই মিটার পদ্ধতিতে ওজনে কম বেশি হওয়ার কোনোই ঝুঁকি নেই। অথচ এই যন্ত্রের মাধ্যমেই ওজনে কম দেয়ার সিস্টেম দিন দিন মাত্রাতিরিক্ত হারে বাড়ছে। ঠকানো হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাকে।
অনেক বিক্রেতারা ওজন পরিমাপক যন্ত্রের মধ্যে অসাধু সিস্টেম চালু করে রাখে যাতে করে ওজনে কম দেয়া যায়। তাদের এই কারচুপির কারণে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা। যেমন-দুই কেজি গরুর মাংশে ৪০০ গ্রাম কম দেয়া হয়। মুরগী গুলোর ওজন করার ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।

এ ব্যপারে চরফ্যাশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি প্রভাষক মনির উদ্দিন চাষী বলেন, সকল বিষয়ে ডিজিটালের ব্যবস্থা হলেও চরফ্যাশন থেকে সনাতন প্রদ্ধতি থাকবে। মিটারে কম দেয়ার কোন সুযোগ নেই।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীণ বলেন, কেউ মিটারের ওজনে কম দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।