জটিল নয় রোগ থেকে মুক্তি দেয় ছোট্ট এই ফলটি!

স্বাস্থ্য-চিকিৎসা।।

করমচা ভীষণ টক স্বাদের ছোট একটি ফল। যা বেশ উপকারীও। লালচে সবুজ এই ফলটি পেকে গেলে জামের রঙের মতো রঙ ধারণ করে। এশিয়া, আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ান উপমহাদেশগুলোতে এই ফলটির সন্ধান পাওয়া গেছে। যদিও আমাদের দেশে এই ফলটি গ্রামাঞ্চলের দিকে বেশি সহজলভ্য।

করমচা আকৃতিতে ছোট হলেও এতে থাকা পুষ্টিগুণ স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ১০০ গ্রাম করমচা থেকে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, রিবোফ্লাভিন, নায়াসিন, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম এবং কপার পাওয়া যায়। মৌসুমি এই ফল বাজারে বেশ সহজলভ্য, তবে খুব অল্প সময়ের জন্যেই পাওয়া যায় এটি। তাই যে কদিন পাওয়া যায় প্রতিদিন অল্প পরিমাণে হলেও করমচা খাওয়ার চেষ্টা করুন। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক করমচার উপকারিতাগুলো-

> করমচাতে কোনো ধরণের ফ্যাট এবং খারাপ কোলেস্টেরল থাকে না।

> কিছু ক্ষেত্রে কৃমির সমস্যা কমাতে অবদান রাখে করমচা।

> পেটের সমস্যা দূর করতে ও কমাতে সাহায্য করে করমচা।

> টক স্বাদের এই ফলটিতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-সি। যা খাবারে রুচি ফেরাতে সাহায্য করে। বিশেষত জ্বর, ডায়রিয়া, আমাশয়ের রোগীদের জন্য খুব ভালো কাজ করে করমচা।

> করমচাতে থাকা পটাশিয়াম রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রেখে হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে কাজ করে। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধেও কার্যকরী এই ফল।

> শরীরের অভ্যন্তরীণ রক্তপাত রোধ করতে খুব উপকারী এই ফল। এতে থাকা পটাশিয়াম ইলেক্ট্রোলাইটের কার্যকারিতাকে বৃদ্ধি করে। যা শরীরে আঘাতের ফলে অভ্যন্তরীণ রক্তপাতকে দ্রুত কমিয়ে আনতে ভূমিকা রাখে।

> লিভার ও কিডনির সমস্যা প্রতিরোধ করতে কাজ করে করমচা। কারণ এতে থাকা কপার কোলাজেন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। যা লিভার ও কিডনির ক্ষতিকে দ্রুত সারিয়ে আনে।

> উপকারী এই ফলে থাকা পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-সি এবং পটাশিয়াম শারীরিক ক্লান্তিভাব দূর করে। অন্যদিকে ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় দৃঢ়তা আনে।

> ভিটামিন-সি’র পাশাপাশি করমচা থেকে আরো পাওয়া যায় ভিটামিন-এ। যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এছাড়া এতে থাকা বেশ কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দৃষ্টিশক্তিকে ভালো রাখতে অবদান রাখে।

সূএ-ডেইলি বাংলাদেশ।