বাংলাদেশকে হারানোর আত্মবিশ্বাস ইংল্যান্ডে কাজে লাগাবে পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক।।
গত ফেব্রুয়ারিতে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে দুঃস্বপ্নের মতো কাটিয়েছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। পাকিস্তানের কাছে হতাশার হার নিয়ে দেশে ফিরতে হয়েছে মুমিনুলদের। তবে ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয় থেকে আত্মবিশ্বাস পেয়েছে পাকিস্তান। এবার সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই ইংল্যান্ড সফরে ভালো করার রসদ খুঁজছেন বাবর আজমরা। সফরে যাওয়ার আগে যেমনটা জানিয়েছেন পাকিস্তানের টেস্ট অধিনায়ক আজহার আলি।

ইংল্যান্ডে অনেক বছর ধরে সিরিজ জয়ের দেখা পায়নি পাকিস্তান। ইংল্যান্ডে ১৯৯৬ সালে সবশেষ টেস্ট সিরিজ জিতেছিল তারা। দীর্ঘ এই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার সিরিজ জিততে মুখিয়ে আছেন অধিনায়ক আজহার।

তিনটি করে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি খেলতে ২০ জনের দল নিয়ে  রোববার (২৮ জুন) ইংল্যান্ড গেছে পাকিস্তান। যাওয়ার আগে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের অধিনায়ক জানান, সিরিজটি নিয়ে নিজেদের আশার কথা।

আজহার বলেন, ‘ইংল্যান্ডে ব্যাটিং করা সবসময়ই কঠিন। তবে গত সফরে আমরা সেখানে ভালো করেছিলাম। এ ছাড়া বাংলাদেশের বিপক্ষে ঘরের মাঠে আমরা সর্বশেষ টেস্ট খেলেছি। ব্যাটসম্যানরা সেখানে সেঞ্চুরিও পেয়েছে। যা তাদের আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আমার বিশ্বাস সেই আত্মবিশ্বাস এখনো আছে। তাই ইংল্যান্ডে খালি হাতে যাচ্ছি না। ইংল্যান্ডে দল হিসেবে ৩০০ ছাড়ানো সংগ্রহ গড়তে পারলে আশা করি, আমরাও ভালো করব।’

তরুণদের প্রতি আস্থা রেখে অধিনায়ক আরো বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আমাদের পেস ও স্পিন আক্রমণ ইংল্যান্ডকে প্রতিটি রানের জন্য ভোগাবে। শাহিন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ কিংবা মোহাম্মদ হাসনাইনের মতো তরুণ পেসারদের দারুণ সম্ভাবনা আছে ইংলিশ কন্ডিশনে ভালো করার। একই সঙ্গে দলে আছে কয়েক জন অভিজ্ঞ বোলারও।’

গত কয়েকদিনে করোনা টেস্টের ফলাফল নিয়ে বারবার খবরের শিরোনাম হতে হয়েছে পাকিস্তানকে। দুই ধাপে টেস্ট করিয়ে, শেষ পর্যন্ত ২০ ক্রিকেটার ও ১১ সাপোর্ট স্টাফ নিয়ে চাটার্ড বিমান ভাড়া করে ইংল্যান্ড সফরে গেছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। সিরিজের আগে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে তাদের।

শুধু দুই ধাপে করোনা পরীক্ষাই নয়, বিমানে ওঠার আগেও তাৎক্ষণিকভাবে করোনা টেস্ট করতে হয়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের। বিমানে উঠে সতীর্থদের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেছেন টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে অধিনায়ক বাবর আজম। ছবি ক্যাপশনে অধিনায়ক লিখেছেন, ‘ইংল্যান্ডে আরেকটি ঐতিহাসিক সফরে যাচ্ছে পাকিস্তান। ইংল্যান্ডে খেলা সবসময়ই দারুণ। আমি তরুণ সব প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে নিয়ে খুব প্রত্যাশা করছি। ভক্তরা, বরাবরের মতো আপনাদের প্রার্থনা, ভালোবাসা ও নিঃশর্ত সমর্থন প্রয়োজন।’