মিরাজ হত্যার একমাস: চরফ্যাশন বাজারে প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামিরা

চরফ্যাশন প্রতিনিধি।।
চরফ্যাশন উপজেলার নীলকমল গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের আকুতি। ছেলে হত্যা মামলার ১ মাস অতিক্রম হলেও পুলিশ আসামি গ্রেফতার করছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে দুলারহাট থানার ওসির বিরুদ্ধে। এ ব্যপারে মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান নুর নাহার বেগম(৪৮) পুলিশের মহাপরিদর্শক বরাবর অভিযোগ দাখিল করেছেন।

মামলা ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ মে বিকাল ৫টায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কন্যা নুর নাহারের ছেলে মিরাজকে ফুটবল খেলার জন্যে নিয়ে যায় মাঠে। চরযমুনা গ্রামের ছালাউদ্দিনের ছেলে ইমরানের সাথে গোলরক্ষক মিরাজের কথার কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ইমরানসহ ৯জন আজ্ঞাত আরো ৪/৫জন এক হয়ে মিরাজকে বেদড়ক প্রহার করলে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। খেলার মাঠ থেকে সকলে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা মিরাজকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতাল নেয়া হলে ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্যে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যার রেজিঃ ২৫১/১৮৭ তারিখ ২৮ মে/২০। ৬জুন মিজার সকালে মারা যায়। লাশ ময়না তদন্ত করে দাফন হয়েছে।

নিহতের নুরনাহার বেগম বাদী হয়ে দুলারহাট থানায় ইমরান, খায়রুজ্জামান টুটুল, শাহরিয়ার এমরানসহ ৯জনকে সনাক্ত করে এবং অজ্ঞাত ৪/৫জনকে আসামি করে ১৮জুন ৩০৪/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলার রুজুর একমাস অতিক্রম হলেও দুলারহাট থানার পুলিশ আসামি গ্রেফতার করেননি বলে অভিযোগ করেন নুরনাহার।

তার অভিযোগ, আসামি এমরান, টুটুলসহ আসামিরা ঘোষেরহাট, দুলারহাট ও চরফ্যাশন বাজারে প্রকাশ্যে ঘুরছে। পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করছে না। স্থানীয় নীলকমল ইউপির চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন হাওলাদার বলেন, ওসি কেন আসামি গ্রেফতার করছে না তা জানি না। একজন আসামিও গ্রেফতার হয়নি।

দুলারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, মামলা তদন্তাধীন রয়েছে আসামি গ্রেফতার করা হয়নি। পোষ্টমডেম রিপোর্ট আসলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উল্লেখ্য, মামলার আসামী ইমরান, টুটুল ও শাহরিয়ার ইমরানদের সাথে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে।