বায়ুদূষণের এলাকায় করোনার ঝুঁকি বেশি

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।
বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, যেসব এলাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি, সেখানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেশি। তাদের যুক্তি, দূষিত বায়ুতে থাকা বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর উপাদান ‘পার্টিকুলেট ম্যাটার’ এই ভাইরাসের আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করতে পারে। কেউ যখন এই দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, তখন বায়ুর অতি সূক্ষ্ম এই কণায় ভর করে থাকা করোনা ভাইরাসও দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে।

পরিসংখ্যান তুলে ধরে তারা বলেন, লন্ডন, বার্মিংহাম, নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি ও দিল্লির মতো বায়ুদূষণপ্রবণ এলাকাগুলোতে করোনার সংক্রমণ বেশি হয়েছে। তাইওয়ানের তাইপেই মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির অধীনে আন্তর্জাতিক গবেষকদের একটি দল এ গবেষণা করেছে। তাদের দাবি, করোনা ভাইরাস ছড়াতে দূষিত বায়ুর প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে।

তাদের এই দাবির পেছনে আরেকটি বড় যুক্তি হচ্ছে, বাতাসে দীর্ঘক্ষণ বেঁচে থাকার ক্ষমতা রয়েছে করোনা ভাইরাসের। এরা কয়েক ঘণ্টা থেকে এক দিন পর্যন্ত বাতাসে বেঁচে থাকতে পারে। সংক্রমিত কারো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ার পর তা দীর্ঘক্ষণ ভেসে বেড়ায়। এরপর অন্য কেউ সেই দূষিত বাতাস নিঃশ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করলে তা শরীরে প্রবেশ করে অন্যদেরও আক্রান্ত করে। দূষিত বায়ুতে থাকা অতি ক্ষুদ্র কণিকাগুলোর ফুসফুসে প্রবেশের বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। ফলে করোনা ভাইরাস যদি এই অতি সূক্ষ্ম কণায় কোনোভাবে আশ্রয় নিয়ে থাকে, তাহলে তা বেশ সহজেই জায়গা করে নেয় মানুষের ফুসফুসে। আর ভাইরাস কোনোভাবে একবার ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারলেই সেখানে হাজার হাজার প্রতিলিপি তৈরি করে ফেলে।সূএ-ডেইলি মেইল।