মুলাদী বন্দর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে আবারো চুরি, আতংকে কাটাচ্ছে ব্যবসায়ীরা

ভূঁইয়া কামাল রাসেল মল্লিক (মুলাদী)।।
বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলায় মুলাদী বন্দর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আবারো চুরি। গত ২০১৯ সালের ২রা ডিসেম্বর রাতে মুলাদী বন্দরে দুর্ধর্ষ ডাকাতির মাধ্যমে ১৫-২০ লক্ষ টাকার মালামাল ডাকাতি হয়। গত সোমবার ৫ অক্টোবর ২০২০ রাতে বন্দরের ৪ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে দোকানের টিন কেটে চুরি করেছে অর্ধলক্ষ টাকা।
গত ৩রা ডিসেম্বর ২০১৯ সালে বেলা ১২.৩০ মনিটে মুলাদী পৌরসভার সামনে মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ীদের নিয়ে জরুরী ভাবে কমিউনিটি পুলিশিং সভা করা হয়েছে। থানা অফিসার ইনচার্জ ফয়েজ আহম্মেদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি বরিশাল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাঈমুল হক।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব তারিকুল হাসান খান মিঠু, মুলাদী পুলিশিং কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব সালেহ উদ্দিন হাওলাদার, বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী মোসলেম উদ্দিন বয়াতি, বন্দর ব্যবসায়ী ইমরুজ্জামান রেজিন, অনলাইন রূপালী বার্তার সম্পাদক মোঃ জিয়াউল আহসান, প্যানেল মেয়র ও পৌরসভার আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ৬নং ওয়ার্ড কমিশনার আলহাজ্ব আবদুর রব হাওলাদার প্রমুখ। ঐতিহ্যবাহী মুলাদী বন্দরে পাহাড়াদার বাড়ানো ও সি.সি ক্যামেরার আওতায় আনার জন্য জোড়ালোভাবে দাবী জানিয়েছিল বক্তাগণ।

১ বছর যেতে না যেতেই গত সোমবার ৫ অক্টোবর ২০২০ রাতে বন্দরের ৪ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে দোকানের টিন কেটে চুরি হয়েছে। আতংকে কাটাচ্ছে ব্যাবসায়ীরা। জানা গেছে, মুলাদী বন্দরের পৌর সুপার মার্কেট সংলগ্ন বীরমুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক ভুলু সেতুর পশ্চিম পার্শ্বের একই সারির ৪টি মুদি দোকানে গভীর রাতে দোকানের পিছনের টিন কেটে ইউনুস হাওলাদারের নোমান স্টোর, সিরাজ হাওলাদারের মুলাদী স্টোর, বায়েজিদ স্টোর ও মোবারক হোসেনের মিলন স্টোরে চুরি করে প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা মালামাল নিয়ে যায়। নোমান স্টোরের মালিক ইউনুস হাওলাদার জানান, তার দোকানে থাকা নগদ ৯ হাজার টাকা, সিরাজ হাওলাদারের মুলাদী স্টোর থেকে নগদ ১২ হাজার টাকা, বায়জিদ স্টোরের নগদ ১৪ হাজার টাকা ও মিলন স্টোরের প্রায় ১৫ হাজার নগদ টাকা ও মালামাল নষ্ট করে পালিয়ে যায়।

মুলাদী থানা পুলিশ প্রশাসন ও মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী নেতা ইমরুজ্জামান রেজিনসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। চোর ডাকাতদের হাত থেকে নিরাপদে ব্যবসা বাণিজ্য করার জন্য প্রশাসনের কাছে জোড়দাবী জানাচ্ছে ব্যবসায়ীগণ।