বাউফলে জোড়া খুন: কেশবপুর ইউপি চেয়ারম্যান লাভলু কারাগারে

এ.এফ.এম রিয়াজ, বাউফল (পটুয়াখালী)।।
বাউফলের চাঞ্চল্যকর যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে হাত পায়ের রগ কেটে ও চোখ উপড়ে নৃশংস হত্যা মামলায় প্রধান আসামী কেশবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলুকে মঙ্গলবার (৬অক্টোবর) দুপুরে পটুয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

মহামান্য হাইকোর্ট থেকে ওই মামলায় লাভলু ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। আগাম জামিন শেষে মঙ্গলবার দুপুরে পটুয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন চেয়ে আত্মসমার্পন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন শুনানী শেষে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন। এ ঘটনায় জড়িত আরও ১৬ জন আসামী জেলহাজতে রয়েছে।

কিন্তু ঘটনার অন্যতম হোতা রফিকুল ইসলাম এবং রাশেল এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকায় মামলার বাদি ও তার পরিবার আতংঙ্কে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, “গত ২আগষ্ট সন্ধায় কেশবপুর বাজারে ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি রুম্মন তালুকদার(২৫) এবং চাচাতো ভাই ছাত্রলীগ কর্মী ইসাত তালুকদার(২২) চায়ের দোকানে চা খেতে গেলে অভ্যন্তরিণ কোন্দলের জের স্থাণীয় সন্ত্রাসী সাবেক যুবদলের ক্যাডার রফিকুল ইসলাম ও রাশেলের নের্তৃত্বে ৩৫-৪০ জনের একটি সন্ত্রসী দল কেশবপুর বাজারে আতংঙ্ক সৃষ্টি করে রুম্মন তালুকদার ও ইশাত তালুকদারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মী করে হাত পায়ের রগ কটে চোখ উৎপাটন করে। পরে স্থাণীয় লোকজনের ডাক চিৎকার দুর্বৃত্ত দলটি পালিয়ে যায়। আহত রুম্মন ও ইসাতকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হলে কর্তাব্যরত চিকিৎসক রুম্মন এবং ইসাতকে মৃত্যু ঘোষনা করে।

এ ঘটনায় নিহত রুম্মনের বড় ভাই মিন্টু তালুকদার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ বহিস্কৃত সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন লাভলুকে প্রধান আসামী করে ৫৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।