কলাপাড়ায় কৃষক ও গ্রামবাসীর অর্থায়নে নির্মিত হলো ভাসমান সেতু

এইচ,এম হুমায়ুন কবির, কলাপাড়া (পটুয়াখালী)।।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক ও গ্রামবাসীরা নিজস্ব অর্থ দিয়ে ভাসমান সেতু তৈরি করেছেন। সরকার কিংবা চেয়ারম্যান, মেম্বার ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামাজিক উন্নয়ন অংশগ্রহন করে চাষীরা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলা নীলগঞ্জ ইউনিয়নে সবজির গ্রাম নামে খ্যাত কুমিরমারা, মজিদপুর, এলেমপুরের সবজি চাষীদের উৎপাদিত সবজি বিক্রি করার একমাত্র যোগাযোগের পাখিমারা খালের ওপর এলজিইডির নির্মিত আয়রণ ব্রিজটি দুই মাস আগে ভেঙ্গে খালে ডুবে যায়। জনগুরুত্বপূর্ণ আয়রণ ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরে ৫গ্রামের কয়েক হাজার কৃষক পরিবার। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পরায় শিক্ষা,স্বাস্থ্যসহ সামাজিক নানা সমস্যার সম্মুখিন তাঁরা। অবশেষে গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করেন ভাসমান সেতু। সেতুটি ১১৬ মিটার দৈর্ঘ্যরে পাখিমারা খালের ওপর ভাসমান সেতু। প্রায় ৩৫০ ফুট লম্বা, চার ফুট পাশে এই সেতুটি নির্মাণে অন্তত আড়াই লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ৭২টি প্লাস্টিকের ড্রামের ওপর পাটাতন করতে ২৫০ ঘনফুট (কেভি) কাঠ লেগেছে। আর প্লাস্টিকের রশি লাগে তিন মণ। তারকাটা লেগেছে তিন মণ। এ সেতুতে একই সঙ্গে ১০ জন মানুষ পারাপার হলেও কোন ঝুঁকি নেই বলে দাবি এখানকার চাষীদের।

কৃষক মো.সুলতান গাজী জানান,আমরা কৃষকরা একজোট হয়ে এ ভাসমান ব্রিজটি নির্মান করি। উদ্যোক্তা কৃষক মো. জাকির গাজী জানান, স্থানীয় কৃষকদের উদ্দ্যেগে প্রায় আড়াই লাক্ষ টাকা ব্যয়ে এই র্রিজটি তৈরি করি।

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও এডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, কুমিরমারা, এলেমপুর গ্রামের মানুষ যে নিজের ইচ্ছায় এ ভাসমান সেতুটি করেছে এ জন্য তাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই।