কুয়াকাটা সৈকতে নামতে হলে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি॥
মাস্ক না পরে কেউ নামতে পারছেন না সৈকতে। চালু করা হয়েছে ‘নো মাস্ক, নো এন্ট্রি’ সার্ভিস। নিজে নিরাপদ থাকুন ও অপরকে নিরাপদ রাখুন এবং ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাজার ব্যবহার করুন এভাবেই সৈকতে ঘুরে ঘুরে মাইকিং করছে ট্যুরিষ্ট পুলিশের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার থেকে সৈকতের প্রবেশ দ্বারে জিরো পয়েন্টে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। আগত পর্যটকরা মাস্ক ছাড়া সৈকতে প্রবেশের চেষ্ট করলে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে। ফলে কুয়াকাটা পর্যটকদের মধ্যে মাস্ক কেনার হিরিক পড়ে গেছে। আগত পর্যটক আতিক খান বলেন, আমরা বুঝতে পারি নাই, মাস্ক না পরে সৈকতে যাওয়ার চেষ্টা করি। এসময় পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। পরে দোকান থেকে মাস্ক কিনে এনে সৈকতে ঘুরতে যাই। পর্যটক শামসুল আলম বলেন, শীতম মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। ট্যুরিষ্ট পুলিশ ভাল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে কিছুটা হলেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। তবে সবার সুস্থ থাকার জন্য মাস্ক ও ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাজার ব্যবহার করা উচিৎ বলে তিনি জানান।

কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশ জোনের ইন্সপেক্টর মো.বদরুল কবির বলেন, আগত পর্যটকদের মাস্ক ও ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাজার ব্য বহারে নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিং করা হচ্ছে। শীত মৌসুমে করোনাভাইরাসের এই উদ্যোদ নেওয়া হয়েছে। তবে অনেক পর্যটকরা মানছে না। এ জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হলে এর সুফল পাওয়া যাবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জগৎবন্ধু মন্ডল সাংবাদিকদের বলেন, শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য সচেতনতার লক্ষে মহিপুর থানা পুলিশ ও কুয়াকাটা ট্যুরিষ্ট পুলিশের সদস্যদের সাথে নিয়ে কুয়াকাটার সৈকতে প্রচার অভিযান চালাচ্ছি।