চরফ্যাশনে অস্ত্রসহ চোর ও ছিনতাইকারকে আটকের পর ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ

চরফ্যাশন (দক্ষিণ) প্রতিনিধি।।
চরফ্যাশন উপজেলা আছলামপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বশির আহমেদ মিয়ার ছেলে সুলতান হেলাল উদ্দিন জামালকে চুরি, মোবাইল ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে দেশীয় অস্ত্রসহ আটকের পর রাতে চরফ্যাশন থানা পুলিশ ছেড়ে দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) বেলা ১১ টার সময় আছলামপুর ইউনিয়ন খোদেজাবাগ গ্রামের কাটাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটের মধ্য থেকে পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম ছিনতাইকারী ও এলাকার দাগী চোর জামালকে আটক করেন।

জানা যায়, একই এলাকার আবদুর রব হাওলাদারের ছেলে মোঃ রুবেল (২২) স্থানীয় সুলতান মিয়ার হাট থেকে মটর সাইকেল যোগে উপজেলা শহরের উদ্দ্যেশে রওয়ানা হয়। অত্র ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বশির মিয়ার বাড়ির সামনে আসলে, জামাল তার পথরোধ করে রুবেলের সাথে থাকা দুটি মোবাইল ও নগদ বিশ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। রুবেল প্রতিবাদ করলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। মার খেয়ে রুবেল মোবাইল এবং টাকার জন্য দাড়িয়ে থাকলে জামাল তার বাড়ি থেকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাকে মেরে ফেলার জন্য আসে। রুবেলের চিৎকার শুনে এলাকার লোকজন ছুটে এসে জামালকে দাওয়া দিলে, দৌড়ে নিকটস্থ কাটাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টয়লেটে ঢুকে ভিতর দিয়ে দরজা আটকে দেয়। এলাকার লোকজনও টয়লেটের দরজা বাহির থেকে লক করে চরফ্যাশন থানা পুলিশকে খবর দেন।প্রায় দের ঘন্টা পর পুলিশ কর্মকর্তা নাজমুল ইসলাম এর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে জামালকে টয়লেট থেকে উদ্ধারের পর আটক করে থানায় নিয়ে আসেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দের সমঝোতার মাধ্যমে জামালকে চরফ্যাশন থানা থেকে মুক্ত করে দেয়া হয় জামাল কিছুদিন পূর্বে শশীভূষণ বাজারে দোকান চুরির ঘটনায় আটক হয়েছিলেন।

স্থানীয়দেরঅভিযোগ পুলিশ উৎকোচের বিনিময় চোর ছিনতাইকারী জামাল হোসেনকে মঙ্গলবার রাতে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে মোঃ রুবেল জানান, আমার অভিভাবকের সাথে স্থানীয় কয়েকজন নেতৃবৃন্দের আলোচনার ভিত্তিতে মামলা করা হয়নি। আসামির পক্ষ থেকে টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়া বাবদ ২০ হাজার টাকা নিরব উকিলের কাছে জমা দেয়া হয়েছে জমাকৃত টাকা এখনো আমি পাইনি।

চরফ্যাশন থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, আটককৃত জামালের সাথে বাদীপক্ষের মীমাংসার মাধ্যমে বাদীর জিম্মায় আসামি কে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন।