বরগুনায় আসামিদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ

গোলাম কিবরিয়া, বরগুনা।।
বরগুনার বেতাগী থানার উপপরিদর্শক গৌতম কুমার ঘোষের বিরুদ্ধে চোখ তুলে নেওয়ার আসামিদের গ্রেফতার না করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভিকটিম মিজানুর রহমান স্বপন। এ সময় তাঁর আত্মীয় স্বজন উপস্থিত ছিল।

শনিবার (০৯ জানুয়ারি) দুপুরে বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়ন কার্যালয় লিখিত বক্তব্য পাঠ করে স্বপন বলেন, বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার কাউনিয়া বাজারে কাজ শেষ করে রাত অনুমান সাড়ে ১০ টায় বাড়ী রওনা দিয়ে কাউনিয়া ব্রীজের উপর পৌছিলে পূর্ব কাউনিয়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সোহাগ ও বেল্লাল হোসেন, সত্তার কবিরাজের ছেলে হোচেন আলী, অজেদ হাওলাদারের ছেলে মিরাজ, হালিম তালুকদারের ছেলে আলমগীর ও মুকুন্দ দাসের ছেলে অতুল দাস আমাকে খুন করার জন্য আক্রমন করে। আসামীদের সঙ্গে আমার ধস্তাধস্তিতে হয়। আসামীরা আমাকে খুন করতে না পেরে চাকু দিয়ে আমার বাম চোখ তুলে নেয়। আমি এখন একটি চোখ নিয়ে বেঁচে আছি। এই মামলার প্রধান আসামী সোহাগ কাউনিয়া বাজারে নাভানা ডায়াগনিষ্ট সেন্টার ও সুবিদখালী মডার্ণ ডায়াগনিষ্ট সেন্টার পরিচালনা করে আসছে। প্রকাশ্য ঘুরে বেড়ায় সোহাগ। অথচ তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামীকে গ্রেফতার করছে না। আসামী ফেইস বুক চালায়, ফোন খোলা। পুলিশ খুজে পায় না।

স্বপন আরও বলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বেতাগীর ছেলে কফি হালদার সজল ও সহিদ সোহাগের পক্ষে পুলিশের নিকট তদ্বির করে। যার কারনে পুলিশ সোহাগকে গ্রেফতার করে না।

স্বপন বলেন, আমি ঢাকা একটি পত্রিকা ( প্রথম আলো) অফিসের ড্রাইভার ছিলাম। সেখানের চাকরী ছেড়ে উবারে গাড়ী চালিয়ে পরিবার নিয়ে ভাল ছিলাম। সোহাগের কাছে দুই লাখ বিশ হাজার টাকা পাই। সেই টাকা চাইতে গেলে তারা আমাকে চোখ উঠিয়ে দেয়।

সোহাগের ফোন বন্ধ পেলেও আসামী বেল্লাল হোসেন বলেন, স্বপন একজন চাঁদাবাজ। এই ঘটনার আগে ৩১ আগষ্ট স্বপনের বিরুদ্ধে সোহাগ বাদী হয়ে একটি মামলা করে। স্বপন মোটর সাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হলে সেই ঘটনা দেখিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

এ বিষয়ে বেতাগী থানার উপপরিদর্শক গৌতম কুমার ঘোষ বলেন, স্বপনের অভিযোগ সঠিক নয়। মামলা হওয়ার পর থেকে সোহাগ পলাতক। বেল্লাল ও হোচেনকে গ্রেফতার করেছি। তারা আদালত থেকে জামিনে আছে। সোহাগকে গ্রেফতার করার জন্য সোর্স নিয়োগ করেছি।